জেনেভা: দ্বিতীয় বছরে মহামারী আরোও ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার(World Health Organization) প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেসাস শুক্রবার বলেন যে, ভারতের কোভিড -১৯ পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক, কিছু রাজ্যের সংক্রমণ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে , প্রত্যেকদিন হাজার হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালে আসা মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে। তিনি আবার সতর্ক করে বলেন, মহামারীর দ্বিতীয় বছর প্রথম বছরের চেয়ে মারাত্মক হবে। সুতরাং মানুষকে আরও সতর্ক হওয়ায় পরামর্শ দিয়েছেন।

হু প্রধান বলেন যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে লড়তে ভারতকে সহায়তা করছে এবং অক্সিজেন কন্সেন্ট্রেটর,অস্থায়ী হাসপাতালের জন্যে হাজার হাজার মাস্ক এবং অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করছে। এদিন তিনি ভারতে সাহায্য করার জন্যে অন্যান্য দেশকে ধন্যবাদও জানান।

ভারত সহ গোটা বিশ্বে এখনও পর্যন্ত মারণ ভাইরাস করোনাতে মৃত্যু হয়েছে ৩৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮১৩ জনের।জাপানে এই মুহূর্তে চলছে করোনা মহামারীর চতুর্থ ঢেউ। সে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও প্রায় ভেঙে পড়েছে। রাজধানী টোকিও-সহ একাধিক এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। আর এবার নতুন করে জরুরি অবস্থা জারি করা হল হিরশিমা, ওকায়ামা এবং হক্কাকাইডু-তে। এমন পরিস্থিতিতে জাপানে অলিম্পিক বাতিল করার জন্য দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৪৪ জন। বৃহস্পতিবারের তুলনায় অনেকটাই কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। বৃহস্পতিবার ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৭২৭ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যাও কমেছে। যদিও তা রয়েছে ৪ হাজারের গণ্ডিতেই। বৃহস্পতিবার যেখানে ৪ হাজার ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেখানে শুক্রবার ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে কমেছে দৈনিক সুস্থতার হার। বৃহস্পতিবার ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ১৮১ জন মানুষের সুস্থতার খবর এসেছিল। শুক্রবার জানা গেল গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৭৬ জন সুস্থ হয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮০৯ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ লক্ষ ৪ হাজার ৮৩৯ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.