ওয়াশিংটন: বালাকোটে ভারতের এয়ারট্রাইকের সিদ্ধান্ত একেবারে সঠিক ছিল, এমনই মনে করেন প্রাক্তন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন। তাঁর মতে, ‘সেই সময় আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিল ভারত। ভারতের ওই পদক্ষেপ একেবারে সঠিক ছিল।’ এমনকী ভারতের ওই পদক্ষেপে পাকিস্তান সেই সময় যুদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছিল বলেও দাবি করেছেন প্রাক্তন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

বালাকোটে একাধিক জঙ্গি ডেরায় ভারতে নাশকতা চালানোর ছক চলছিল। সূত্র মারফত এই খবর পেয়েই বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক করে ভারত। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, ভারতের ওই পদক্ষেপে বহু জঙ্গির মৃত্যু হয়। যদিও তা নিয়ে পরে দেশের অন্দরেই বিরোধী একাধিক রাজনৈতিক দল কেন্দ্রের ওই পদক্ষেপ সম্পর্কে দাবির সারবত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

তবে প্রাক্তন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন জানাচ্ছেন, সন্ত্রাস দমনে সেই সময়ে ভারতের ওই পদক্ষেপ একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। সেই সময় নাকি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে কথা হয়েছিল। দোভালের সঙ্গে আমাদের আলোচনা খুব ফলপ্রসূও হয়। ভারত যেভাবে সেই সময়কার পরিস্থিতি নিজেরাই সামলেছিল তা দেখে আমরা খুশি হয়েছিলাম।’ এরই পাশাপাশি বল্টন আরও জানান, বালাকোটে ভারতের এয়ারস্ট্রাইকের পরে পাকিস্তানের সঙ্গেও আমেরিকার কথা হয়েছিল।

পুলওয়ামায় সেনা কনভয়ে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার জবাবে ভারতীয় বায়ু সেনা বালাকোটের জইশ-এ-মহম্মদের জঙ্গি শিবিরে আঘাত হানে। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে বিমান হামলা চালায় ভারত।

ভারতে জঙ্গি ঢুকিয়ে নাশকতার ছক পাকিস্তানের। বালাকোটে জঙ্গি ডেরা নিয় সবরকম তথ্য জোগাড় করেই আঘাত হানে ভারত। যদিও বালাকোটে জঙ্গি ডেরা থাকার কথা বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে পাকিস্তান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।