ওয়াশিংটন: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গর্বের মিশন শক্তি৷ ভোটের আগে বিজেপির পালে হাওয়া লাগানো মিশন শক্তি আপাতত কিছুটা বেকায়দায়৷ নাসা জানাচ্ছে ভারতের মিশন শক্তি মহাকাশে প্রচুর আবর্জনা উৎপন্ন করেছে৷ এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪০০টি আবর্জনা কক্ষপথে ফেলেছে মিশন শক্তি মিসাইল৷

ডিআরডিও চেয়ারম্যান জানিয়ে ছিলেন, গত ৬ মাস ধরে চলছিল ‘মিশন মোড’। অর্থাৎ তৎপরতার সঙ্গে কাজ চলছিল। নির্ধারিত দিনে মিসাইলটি পরীক্ষা করতে ১০০ জন বিজ্ঞানী দিন-রাত কাজ করছিলেন বলে জানিয়ে ছিলেন সতীশ রেড্ডি। সকাল ১১টা ১৬ মিনিটে ওড়িশার বালাসোর থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় ওই মিসাইল। মাটি থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে একটি অকেজো হয়ে যাওয়া স্যাটেলাইটে আঘাত করে সেটি৷

ভারতের এই পরীক্ষাকেই ‘ভয়ঙ্কর ব্যাপার’ বা টেরিবল থিং বলে ব্যাখ্যা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ কারণ মহাকাশচারীদের জন্য এই মিসাইলটি মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ প্রায় ৪০০টি আবর্জনা ঘুরে বেড়াচ্ছে মহাকাশে, যা তৈরি করেছে এই মিশন শক্তি৷ এর জন্য সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়েছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মহাকাশচারিদের৷

নাসা জানাচ্ছে, এই আবর্জনার কোনটিই আকারে খুব একটা বড় নয়৷ বেশিরভাগকেই চিহ্নিত করা যায়নি৷ তারই মধ্যে ৬০টিকে মিশন শক্তি দ্বারা উৎপাদিত আবর্জনা হিসেবে চিহ্নিত করা গিয়েছে৷ যেগুলি কোনটিই ১০ সেন্টিমিটারের বেশি বড় নয়৷

নাসার মুখপাত্র গোটা বিষয়টির নিন্দা করে বলেছেন এই ধরণের ঘটনা বরদাস্ত করা যায় না৷ মহাকাশে আবর্জনা ছড়ানোর অর্থ ভবিষত্যের গবেষণার পথ আটকে দেওয়া৷ আগামিতে অসুবিধায় পড়তে হতে পারে মহাকাশচারীদের৷ তবে এর প্রভাব কী হতে পারে সে সম্পর্কে এখনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি নাসা৷