নয়াদিল্লি: ‌ দেশের বেহাল আর্থিক অবস্থা কতটা তা এখনই আর্থিক ঘাটতি ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাজেটে চলতি আর্থিক বছরে ঘাটতি ধরা হয়েছিল জিডিপির ৩.৫ শতাংশ। সরকারি তথ্য বলছে, করোনাভাইরাসের কারণে কর্মসংস্থান কর আদায় ইত্যাদি রীতিমতো কমে এসেছে। এর ফলে দেখা গিয়েছে চলতি আর্থিক বছরের প্রথম পাঁচ মাস অর্থাৎ এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত আর্থিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮.৭ ট্রিলিয়ন টাকা যা মোট পুরো আর্থিক বছরের ঘাটতির ১০৯ শতাংশ।

এপ্রিল থেকে আগস্ট এই পাঁচ মাসে কর আদায়ে গতবছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ কমে গিয়ে হয়েছে ২.৮৪ ট্রিলিয়ন। যদিও জ্বালানি বাবদ কর বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন ২০২০-২১ অর্থবর্ষে এই ঘাটতি জিডিপি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। করোনা অতি মহামারীর কারণে জিডিপি বৃদ্ধির বদলে সংকোচনের কথা বলেছে বিভিন্ন সংস্থা।

তবে সরকারি ভাবে এখনও আর্থিক ঘাটতি সংশোধিত করা হয়নি। এদিকে যা পরিস্থিতি তাতে সরকার অবশ্য ঋণের অংকটা বাড়িয়ে নিয়েছে। বাজেটেতে ধরা হয়েছিল৭.৮ ট্রিলিয়ন কিন্তু তা বাড়িয়ে ১২ ট্রিলিয়ন করা হয়েছে। গত পাঁচ মাসে মোট খরচ গত বছর এই সময়ের তুলনায় ৫.৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১২.৫ ট্রিলিয়ন টাকা।

বেশিরভাগ পূর্বাভাস জানাচ্ছে চলতি আর্থিক বছরে ঘাটতির পরিমাণ১০ শতাংশ এর আশেপাশে থাকবে।
সরকারি হিসাবে এপ্রিল থেকে জুন এই ত্রৈমাসিকে সংকোচন ২৩.৯ শতাংশ হতে পারে বলে বলে জানা গিয়েছিল। এমন তথ্য সামনে আসায় বিরোধীদের কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থনীতির সমালোচনায় সরব হতে দেখা গিয়েছে। কিছু সংস্থার পূর্বাভাস রীতিমতো হতাশাজনক। চলতি অর্থবর্ষে অনেকেই এই সংকোচন ১৫ শতাংশের আশেপাশে বলে জানিয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।