নয়াদিল্লি: পরপর তিনবার পিনাকা গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত। পোখরানে গত ১২ মার্চ মিসাইল পরীক্ষা করা হয়। এর আগে ১১ মার্চ পরপর দু’বার পরীক্ষা করা হয়। তিনবারই সফলভাবে মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

ভারতীয় সেনা ব্যবহার করবে এই মিসাইল। এটি একটি মাল্টিপল রকেট লঞ্চার, যা ভারতের মাটিতেই তৈরি হয়েছে। ডিআরডিও-র হাতেই তৈরি হয়েছে এই মিসাইল।

ডিআরডিও-র তরফে বলা হয়েছে, তিনটি ট্রায়ালেই লক্ষ্যে গিয়ে আঘাত করতে পেরেছে মিসাইলটি। এই পরীক্ষায় পিনাকা তার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। অত্যাধুনিক নেভিগেশন ও কন্ট্রোল সিস্টেম ব্যবহার করে এই পরীক্ষা করা হয়েছে। ‘তাত্রা’ ট্রাকের উপর থেকে ছোঁড়া হয় ওই মিসাইল।

এর আগে গত মাসেই অত্যাধুনিক মিসাইলের পরীক্ষা করে ভারতীয় সেনা। ওডিশা উপকূল থেকে দু-দুটি মিসাইলের পরীক্ষা করে ভারত। মাটি থেকে আকাশে শত্রু ধ্বংস করতে এই মিসাইলগুলির পরীক্ষা করা হয়েছে। খুব দ্রুত এই মিসাইলগুলি শত্রুকে ধ্বংস করতে সক্ষম বলেও জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মিসাইলগুলি আকাশে রাখা কল্পিত শত্রুকে সফল ভাবে আঘাত করেছে বলে সেনার তরফে জানা গিয়েছে।দু

ভারতীয় সেনার জন্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা অর্থাৎ ডিআরডিও এই মিসাইল তৈরি করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।