ক্ষমতায় আসার পর রেলওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথা ঘোষণা করেছিল মোদী সরকার। রেল কর্তৃপক্ষের হাত ধরে খুলে গিয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়। শনিবার দেশের প্রথম সেই রেলওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উৎসর্গ করা হল দেশবাসীকে। গুজরাতের ভদোদরায় তৈরি হয়েছে সেই ইউনিভার্সিটি। গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা।

এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

১. সেপ্টেম্বরে ক্লাস শুরু হয়েছে National Rail and Transportation Institute-এর। ২০ টি রাজভ থেকে আসা ১০৩ জন ছাত্রকে নিবে শুরু হয়েছে ক্লাস।

২. এটি ভারতের প্রথম রেলওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্বে তৃতীয়। চিন ও রাশিয়া এই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

৩. স্নাতক স্তরে দুটি কোর্স করা যাচ্চে এই ইনস্টিটিউটে। একটি হল ‘ট্রান্সপোর্টেশন টেকনোলজি’তে বিএসসি ও ‘ট্রান্সপোর্টেশন ম্যানেজমেন্টে’ বিবিএ। এগুলি তিন বছরের কোর্স।

৪. ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু হবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। সিস্টেম ডিজাইন, ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং, ট্রান্সপোর্ট পলিসি অ্যান্ড ইকনমিকসের মত বিষয়ে মাস্টার্স করা হবে।

৫. ১০৩ জন ছাত্রছাত্রীকে দুটি কোর্সে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। ১০৩ জনের মধ্যে ১৭ জন ছাত্রী। ৪১ জন পড়ছেন বিবিএ ও ৬৩ জন বিএসসি।

৬. রেলওয়ে বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান অশ্বিনী লোহানি এই ইউনিভার্সিটির ভাইস-চান্সেলর। ইন্ডিয়ান বিজনেস স্কুল সহ একাধিক ইনস্টিটিউট থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আনা হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।

৭. এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার বার্ষিক খরচ ৭৫,০০০ টাকা। প্রথম বছরে ছাত্রছাত্রীদের ৫০ শতাংশ বৃত্তি হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

৮. প্রতাপ ভিলাস প্যালেসের আদলে তৈরি করা হয়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল্ডিং।

৯. পাঁচ বছরে এই ইউনিভার্সিটির জন্য সরকার বরাদ্দ করেছে ৪২১ কোটি টাকা।

১০. ভদোদরায় ১০০ একর জায়গার উপর তৈরি হবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর ক্যাম্পাস।