নয়াদিল্লি: ভোট আসে, ভোট যায়৷ সাধারণ মানুষের সমস্যা বদলায় না৷ এই সার সত্যটা বুঝে নিয়েছেন ভারতীয়রা৷ এমনই তথ্য উঠে এসেছে একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায়৷ রিপোর্ট বলছে, অন্তত ৭৩ শতাংশ ভারতীয় মনে করেন তাঁদের দেশ সঠিক পথে যাচ্ছে৷

তবে নির্বাচনে সঠিক সরকার ক্ষমতায় নিয়ে আসার চেয়েও তাঁদের কাছে বেশি চিন্তার দেশে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখা৷ সমীক্ষা বলছে ভারতীয়দের কাছে দেশে ক্রমাগত বেড়ে চলা সন্ত্রাস বেশি চিন্তার৷ এছাড়াও তাঁদের ভাবায় বেকারত্ব, কর্মসংস্থানের অভাব, আর্থিক ও রাজনৈতিক দুর্নীতি৷

আরও পড়ুন : তৃণমূল প্রচারক বাংলাদেশি ফিরদৌসকে অবিলম্বে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

দ্য ওয়ার্ল্ড গ্লোবাল সার্ভে নামের একটি সংস্থা এই সমীক্ষা চালায়৷ সমীক্ষা অনুযায়ী বিশ্বের ২৮টি দেশের মধ্যে ২২টি দেশের মানুষই মনে করে তাঁদের দেশ ভুল পথে চলেছে৷ তবে ভারতের ক্ষেত্রে ছবিটা আলাদা৷ যদিও পুলওয়ামা হামলার পরে সন্ত্রাসের আতংক আরও বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷ তেমনই দেশে কাজের অভাব দিনে দিনে বেড়ে চলাও মানুষের মনে প্রভাব ফেলছে৷

এর আগে একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছিল, ভারতে মহিলাদের কর্মীদের উৎসাহিত করতে নতুন আইনে তাদের মাতৃকালীন ছুটির মেয়াদ ১২ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ২৬ সপ্তাহ করা হলেও এর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই আইনের কারণে দেশের প্রায় ১৮ লক্ষ মহিলা চাকরি হারাতে পারে বলে এক সমীক্ষাতে উঠে এসেছে। টিমলিজ সার্ভিসেস লিমিটেড এই নিয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। সেখানেই এই তথ্য বেরিয়ে এসেছিল৷

আরও পড়ুন : বর্ষীয়ান নেতাদের সম্মান প্রদর্শনের কথা কংগ্রেসকে মানায় না: বিজেপি

সমীক্ষাতে বলা হয়েছিল, নতুন আইনের কারণে মহিলারা চাকরিহীন হয়ে পড়তে পারেন। এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নতুন উদ্যোগতারা মহিলাদের কাজে নিতে অনুৎসাহিত হতে পারে। যদি ভারতের সব সেক্টরে এ হার বিবেচনা করা হয়, তবে পরবর্তী অর্থ বছর শুরু হওয়ার আগেই দেশে এক কোটি থেকে এক কোটি ২০ লাখ মহিলা চাকরি হারাবেন। যদিও ভারতে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের সংখ্যা এরই মধ্যে কমতে শুরু করেছে। দেশে ২০১৬ সালে কর্মক্ষেত্রে মহিলার সংখ্যা ছিল মাত্র ২৪ শতাংশ। অথচ এক দশক আগেও এই সংখ্যা ছিল ৩৬ শতাংশ।