নয়াদিল্লি : হতাশ করা সমীক্ষা ফল প্রকাশ করল ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন বা আইএলও। আইএলও-র সমীক্ষা বলছে সারা সপ্তাহ সর্বাধিক সময় পরিশ্রম করেও সবচেয়ে কম বেতন পান ভারতীয়রা। গোটা বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন দেশের চাকুরিরতদের ওপর চালানো হয় সমীক্ষা। তারপরেই ফল প্রকাশিত হয়। জানা গিয়েছে সর্বাধিক কাজের সময়ের নিরিখে বিশ্বে ভারত রয়েছে পঞ্চম স্থানে। এই তালিকার প্রথম চারটি দেশ হল গামবিয়া, মঙ্গোলিয়া, মালদ্বীপ ও কাতার।

রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতীয়রা সপ্তাহে ৪৮ ঘন্টা কাজ করেন। সেই তুলনায় বেতন পান যৎসামান্য। গ্লোবাল ওয়েজ রিপোর্ট ২০২০-২১ বলছে সর্বাধিক কাজের সময় হলেও বেতন পাওয়ার নিরিখে ভারতীয়দের স্থান সবার নীচে, সবার পিছে। প্রতি সপ্তাহে চিনে একজন কর্মী কাজ করেন ৪৬ ঘন্টা, ব্রিটেনে ৩৬ ঘন্টা, আমেরিকায় ৩৭ ঘন্টা, ইজরায়েলে ৩৬ ঘন্টা। কিন্তু বেতন পাওয়ার নিরিখে সবচেয়ে কম বেতন পান তাঁরাই। তবে বেতন পাওয়ার তালিকায় একদম নীচের দিকে রয়েছে আরও কয়েকটা দেশ, বিশেষত আফ্রিকার কিছু দেশ।

ভারতীয়দের মধ্যে উচ্চ বেতনের কর্মীরা মূলত শহর কেন্দ্রিক। তাঁরা কাজ করেন সপ্তাহ প্রতি আরও বেশি সময় ধরে। ২০১৯-২০ সালের পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে অনুযায়ী মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের কাজের সময় বেশি। যেখানে পুরুষরা ৪৮ ঘন্টা কাজ করেন, সেখানে মহিলারা কাজ করেন ৩৭ ঘন্টা। গ্রামের দিকে পুরুষরা কাজ করেন ৫২ ঘন্টা সপ্তাহ প্রতি। মহিলারা কাজ করেন ৪৪ ঘন্টা।

২০১৮ তে ILO এর করা একটি সমীক্ষা বলছে, দক্ষিণ এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়ার শ্রমিকরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৪৬ ঘন্টা কাজ করে। কিন্তু ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভের তথ্য বলছে ভারতে এই সময়টা তুলনায় অনেকটা বেশি। কাজের শহরগুলিতে কর্মচারীরা প্রতি সপ্তাহে ৫৩ থেকে ৫৬ ঘন্টা কাজ করে চলেছেন। অন্যান্য অনেক সমীক্ষাও প্রায় এই একই ধরনের রিপোর্ট সামনে এনেছে। দেখা গিয়েছে যে আট ঘন্টা কাজের কথা বলা হয়, সেই তুলনায় কাজ হয় অনেক বেশি সময়।

এই হিসেব সংগঠিত ও অসংগঠিত শ্রমিক উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে বড়সড় বেতনবৃদ্ধির পথে হাঁটতে পারে ভারতীয় একাধিক সংস্থা। জানা গিয়েছে ভারতে সংস্থাগুলিতে ২০২১ সালে ৭.৭ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রিক (BRIC) দেশগুলির মধ্যে এটি অন্যতম সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধি। ২০২০ সালের গড় বৃদ্ধির তুলনায় এর হার ৬.১ শতাংশ বেশি। গ্লোবাল প্রফেশনাল সার্ভিস ফার্ম Aon Plc তার সর্বশেষ ভারতে বেতন বৃদ্ধি সমীক্ষা থেকে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।