মুম্বই: করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বাড়িতে বসে কাজ করেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন বেশিরভাগ কর্মী। তাই কমপক্ষে ৫৪ জন ভারতীয় চাইছেন স্থায়ী ভাবে ওয়ার্ক ফ্রম হোম কনসেপ্ট চালু করে দেওয়া হোক। তাঁরা জানিয়েছেন, বাড়ি থেকে কাজ করা অনেক বেশি মজার ও স্বাচ্ছন্দ্যের।

অন্যদিকে, এর মধ্যে ৩৬ শতাংশ কর্মী জানাচ্ছেন বাড়ি থেকে কাজ করার শর্ত যদি বেতন ১০ শতাংশ কমানো হয়, তবুও তার জন্য রাজি তাঁরা। অর্থাৎ বেতন কমিয়ে বাড়ি থেকে কাজে রাজি এই কর্মীরা। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সমীক্ষায় এমনই তথ্য জানা গিয়েছে। মাভেরিকস নামে এক সংস্থার করা সমীক্ষায় প্রকাশিত এই তথ্য বেশ সাড়া ফেলেছে।

এই সমীক্ষা জানাচ্ছে ৫৬ শতাংশ ভারতীয় কর্মী মনে করছেন, তাঁদের কাজের এনার্জি ও উৎপাদনশীলতা বাড়িতে বসে কাজ করে বেড়েছে। এপ্রিল মাস থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে গোটা দেশে। এই পরিস্থিতিতে বাড়িতে বসে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন প্রচুর কর্মী। তাঁরা সেটাই এখন স্থায়ী ভাবে করতে চাইছেন।

সমীক্ষায় প্রকাশ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সৃষ্টিশীলতা ও উৎপাদন ক্ষমতার বৃদ্ধি চোখে পড়ার মত। এঁদের মধ্যে ৩১ শতাংশের সৃষ্টিশীলতা ও কাজের ক্ষমতা প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে। এঁরা তাই ১০ শতাংশ বেতন কমিয়েও বাড়ি থেকে কাজ করতে চাইছেন।

চেন্নাইতে লকডাউনের শুরুতে যেখানে কর্মহীনতার আশঙ্কা করেছিলেন ৭৪ শতাংশ মানুষ, সেই ভয় তাঁরা কাটিয়ে উঠেছেন। বর্তমানে মাত্র ২৮ শতাংশ মানুষ এই বিষয়ে চিন্তিত। তবে অন্য ফল দেখিয়েছে কলকাতা। এপ্রিল মাসের শুরুতে চাকরি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন ৫৪ শতাংশ মানুষ। সেটা বেড়ে অক্টোবর মাসে দাঁড়িয়েছে ৬২ শতাংশ।

তবে লকডাউন জোরালো প্রভাব ফেলেছে ভারতীয় অর্থনীতিতে। কেন্দ্র যতই অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে দাবি করুক না কেন, করোনা সংকটের জেরে এদেশের অর্থনীতির বেহাল দশা এখনো আদৌ কাটেনি। রিপোর্ট বলছে এদেশের অধিকাংশ মানুষ লকডাউন পরিস্থিতিতে জীবিকা পরিবর্তন করে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। বলা ভালো তাঁরা জীবিকা বদলাতে বাধ্য হয়েছেন। কারণ প্রচুর মানুষ নিজের চাকরি খুইয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।