লন্ডন: পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বন্দ্ব যা হয় সেটা মূলত ক্রিকেট বা কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগতা ঘিরেই। এমনিতে ব্রিটেন প্রবাসী অশেতাঙ্গ এশীয় নাগরিকরা একসঙ্গেই থাকেন।সাম্প্রতিক করোনাভাইরাসে মৃত্যুর নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা এই দেশে প্রবল সংক্রমণ ঝুঁকিতে এই এশীয়রা।

বিবিসি জানাচ্ছে, এশীয়রা মূলত ভারতীয়, পাকিস্তানি, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরা করোনার ভয়াবহ হামলার একেবারে মুখে এসেছেন। ইতিমধ্যে এইসব দেশগুলির বেশকিছু জনের মৃত্যু হয়েছে।

ইউরোপে এখন সর্বাধিক করোনা রোগীর মৃত্যু হচ্ছে ইংল্যান্ডে। চলতি সপ্তাহে ইতালিকে ছাপিয়ে গিয়েছে এই দেশ। শুক্রবার ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব বলছে, ইংল্যান্ডে মৃতের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি। আর সর্বাধিক ৭৬ হাজারের বেশি মৃত্যু হয়েছে আমেরিকায়।

তবে ইংল্যান্ডের পরিস্থিতিও আমেরিকার মতো ভয়াবহ। বিবিসি রিপোর্টে উঠে এসেছে ইংল্যান্ডের জাতীয় পরিসংখ্যান দফতরের (অফিস ফর ন্যাশানাল স্টাটিসস্টিকস) নতুন এক তথ্য। এই বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে কোভিড নাইনটিন সংক্রমণে অশ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠির মৃত্যুর ঝুঁকি সে তা হ্রদের তুলনায় দ্বিগুণ।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে ভারতীয়, বাংলাদেশি, পাকিস্তানি বংশোদ্ভুতদের ৩০ থেকে ৮০ শতাংশ রয়েছেন বিপদের মুখে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বিশ্লেষণের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এক বাড়িতে অনেকের একসঙ্গে থাকার কারণেই করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি।

ইংল্যান্ডের বহু শহর ও শহরতলী এলাকায় একই আবাসনে বা ফ্ল্যাটে ভারতীয়, বাংলাদেশি পাকিস্তানিরা মিলেমিশে থাকেন। সেসব এলাকায় সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।