নয়াদিল্লি: পুলওয়ামা হামলার পর ভারতের প্রত্যাঘাত নিয়ে বিরোধীদের তোলা প্রশ্ন নিয়ে এখন মাথা ঘামাতে নারাজ আম জনতা৷ সরকার ও বিরোধীরা যেখানে রাজনীতি করতে ব্যস্ত সেখানে শহিদ জওয়ানদের পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে গোটা দেশ৷ দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া শহিদ পরিবারের জন্য তৈরি ‘ভারত কে বীর’ এর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি টাকা জমা করল দেশের মানুষ৷

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামা হামলার পর এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এই পরিবারগুলির জন্য ৮০ কোটি টাকা জমা করেছে৷ এর আগে গত দু’বছরে এই খাতে মাত্র ২০ কোটি টাকা জমা পরেছিল বলে জানা যাচ্ছে৷ ‘ভারত কে বীর’ সঙ্গে যুক্ত এক আধিকারিক জানান, দেশবাসী যেভাবে শহিদ জওয়ানদের পরিবারের জন্য এগিয়ে এসেছে তা প্রসংশনীয়৷ যারা নিজেদের সব কিছু হারিয়েছে তারা বুঝবেন তারা একা নন, পুরো দেশ তাদের পাশে রয়েছে৷

ভারতের বীরের সঙ্গে যুক্ত আরেক আধিকারিক বলেন জওয়ানদের পরিবারের জন্য এখনও সাধারণ মানুষ অনুদান জমা করে চলেছে৷ পুলওয়ামার আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হয়৷ এই হামলার জেরে একদিকে যেখানে দেশবাসীর মনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জমা হয়েছে সেখানেই মানুষ এই শহিদ জওয়ানদের পরিবারের জন্য কিছু করে দেখাতে চায়৷

দেশবাসীর উৎসাহ সিআরপিএফ ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট দেখলেই স্পষ্ট হয়৷ যেখানে পুলওয়ামার ঘটনার পর এই ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের ফলোয়ারের সংখ্যা দুই লক্ষ পচাত্তর হাজার ছিল সেখানে এই ঘটনার পর ফলোয়ারের সংখ্যা বেড়ে চার লক্ষ পচিশ হাজার হয়ে গিয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।