কুয়েত: বিশ্বজুড়েই করোনা সংকটের প্রভাব পড়েছে। এই সময় বিভিন্ন দেশেই কর্মসংস্থানে কোপ পড়েছে। ফলে অনেক দেশকেই এখন বিদেশিদের বদলে ভূমিপুত্রদের চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে। আর তা করতে গিয়ে অভিবাসন সংক্রান্ত নিয়ম বিধিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার সেই পথে হাঁটতে দেখা গেল কুয়েতকে। অভিবাসন সংক্রান্ত নতুন বিল এনেছে। আর সেটা‌ পাশ হলে আট লক্ষ ভারতীয়কে দেশে ফিরে আসতে হতে পারে।

কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল খালিদ আল সাবাহ জানিয়েছিলেন, কুয়েতে বসবাসকারী বিদেশীদর সংখ্যা ৭০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশে কমিয়ে  আনা হবে। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে যে আর্থিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাতে ভূমিপুত্রদের চাকরি সুনিশ্চিত করার দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে।

কুয়েতে এখন জনসংখ্যা ৪৩ লক্ষ । এরমধ্যে আবার ৩০ লক্ষ বিদেশি নাগরিক। প্রায় ১৪.৫ লক্ষ ভারতবাসী বাস করে। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশের বেশি হলেন ভারতীয়। এখন নতুন প্রস্তাবিত বিলে ভারতীয়ের সংখ্যা ১৫ শতাংশে কমিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে।

বিলটি পাস হলে প্রায় আট লক্ষ‌ ভারতীয়কে কুয়েত ছাড়তে হতে পারে। তবে কারা থাকতে পারবে আর কাদের চলে আসতে হবে সেই ব্যাপারে এখনও স্পষ্ট কোন ইঙ্গিত মেলেনি। ফলে কুয়েতে বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যে দুশ্চিন্তা বেড়েছে।

তবে শুধু কুয়েত বলে নয় খোদ আমেরিকাতেও ‌করোনা সংকট ধাক্কা দিয়েছে । একদিকে এই মারন ভাইরাসের কারণে দেশজুড়ে মৃত্যু-মিছিল দেখা গিয়েছে অন্যদিকে আবার লকডাউন জারি করায় চরমভাবে বিপর্যস্ত অর্থনীতি। আর্থিক পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে সেখানে ৪০ লক্ষের বেশি লোক কাজ হারিয়েছেন।

সামনে ভোট অন্যদিকে দেশের মানুষ চাকরির জন্য অস্থির হয়ে পড়ছে। তাই নাগরিকদের চাকরির ব্যবস্থা করতে কাজের ভিসার ব্যাপারে কড়া ব্যবস্থা নেন ট্রাম্প।

এইচ ওয়ান বি সহ আরো কিছু ভিসা দেওয়া আপতত‌ বন্ধ রেখেছে।‌ যার জন্য বিশেষত সেখানে কর্মরত তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের দুশ্চিন্তা বেড়ে গিয়েছে। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে ওই পদক্ষেপের ফলে মার্কিনীরা দেশে ৫ লক্ষ ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।