ফাইল ছবি

কিশোর শীল: সীমান্ত সংঘাতের জেরে অস্পষ্ট লিখন আগেই পড়া যাচ্ছিল। এবার সরকারি ঘোষণা দিল কেন্দ্র। ইউসি, টিকটিক সহ বন্ধ ৫৯ টি চায়না অ্যাপ। যার জেরে কার্যত ঘুম উড়েছে ওই কোম্পানিগুলিতে কর্মরত ভারতীয়দের।

ইউসি নিউজ, টিকটক, হ্যালো সহ একাধিক চাইনিজ অ্যাপের ভারতের মূল অফিস রয়েছে দিল্লি, নয়ডা, গুরগাঁও এলাকায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাংবাদিক সহ প্রচুর যুবক যুবতিরা কাজ করেন ওই অ্যাপগুলিতে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের পর নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে সংশয়ে ভুগছেন তাঁরা।

কেন্দ্রের পাঠানো তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকটি অ্যাপে কর্মরত সাংবাদিক থেকে শুরু করে কন্টেন্ট রাইটাররা জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা। তবে সোমবার রাত পর্যন্ত অফিসিয়ালি তাঁদেরকে এ বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। সব কিছুই রয়েছে স্বাভাবিক।

চাকুরি হারানোর আশঙ্কায় থাকা সাংবাদিকেরা কেউ জানাচ্ছেন তাঁরা হয়তো ফিরে আসতে পারেন কলকাতায়। আবার অনেকের বক্তব্য কলকাতায় না, বরং দিল্লি সহ ওই এলাকাতেই অন্য সংবাদমাধ্যমে কাজ খুঁজবেন তাঁরা। চাইনিজ অ্যাপে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মী জানিয়েছেন, এখনই সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে বারণ করা হয়েছে তাঁদের।

উল্লেখ্য, যে অ্যাপগুলি ব্যান করা হয়েছে সেই অ্যাপগুলিতে হিন্দি, ইংরেজি ছাড়াও দেশের বেশ কয়েকটি স্থানীয় ভাষা রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বাংলা, তামিল, তেলেগু, মালায়লাম সহ একাধিক ভাষা। কর্ণাটক, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা সহ বেশ কয়েকটি রাজ্য থেকে সাংবাদিকেরা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ করেন ওই অ্যাপগুলিতে। ফলে আপাতত গভীর দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তাঁরা।

অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এইসব অ্যাপের ডেটা গিয়ে জমা হত ভারতের বাইরে থাকা কোনও সার্ভারে। সেইসব সার্ভার চিনে রয়েছে বলেই জানা যায়। তাই এইসব অ্যাপ ভারতের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছিল বলে অভিযোগ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।