নয়াদিল্লি: ক্রোয়েশিয়া সফরের পর টোকিও অলিম্পিক(Tokyo Olympic)৷ ৮০ দিনের সফরে মঙ্গলবার দেশ ছাড়লেন ভারতীয় শুটাররা৷ তার আগে ১৫ সদস্যের ভারতীয় শুটিং দলকে অন্য দেশের কোভিড নিয়ম না-ভাঙার আর্জি জানালেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী (Sports Minister) কিরেণ রিজিজু (Kiren Rijiju)৷

কোভিড-১৯ ধাক্কায় সারা বিশ্ব ব্যাকফুটে৷ তবুও এগিয়ে যাওয়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে মানবজাতি৷ তাই কঠোর নিয়মের মধ্যে থেকেই চলছে খেলাধূলো৷ কিন্তু কয়েকজন খেলোয়াড় নিয়ম না-মানায় ক্ষতি হচ্ছে সমাজের৷ সম্প্রতি মলদ্বীপে এএফসি কাপ (AFC Cup) খেলতে গিয়ে ভারতীয় ফুটবল ক্লাব বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে কোভিড বিধি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে সুনীল ছেত্রীদের মলদ্বীপ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

তাই দেশ ছাড়ার আগে ভারতীয় শুটিং দলকে সতর্ক করলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী৷ টুইটারে শুটারদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি কিরেণ রিজিজু লেখেন, “Safe journey! Never break the Covid-19 protocols of other countries. Focus on training, take care and stay safe. Will provide all necessary support to our athletes and the coaches. All the best.”

দেশে ছাড়ার আগে শুটার সুমা শিরুর টুইটারে লেখেন, “With a ‘Bharat Mata ki Jay’ we get ready to depart for Croatia. From there straight to #Tokyo2020 Olympics. 80 days in total. The Indian Shooting team needs your blessings to give their best.”

এদিন ১৫ সদস্যের ভারতীয় শুটিং দল ক্রোয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়৷ সেখানে ট্রেনিং এবং টুর্নামেন্ট খেলার পর ডিরেক্ট ফ্লাইটে টোকিও উড়ে যাবেন ভারতীয় শুটাররা৷ ২৩ জুন টোকিও শুরু হবে অলিম্পিক৷ টোকিও অলিম্পিক্সের ঠিক আগেই ক্রোয়েশিয়ার জাগরেবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেবে ভারতীয় শুটিং দল৷ অলিম্পিক্সের প্রস্তুতি সারতেই এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাগরেবে টুর্নামেন্টটি চলবে ২০ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত। সেখান থেকেই সরাসরি টোকিওতে উড়ে যাবে ১৫ জনের ভারতীয় দল। টোকিও যাওয়ার সব ব্যবস্থা করবে ক্রোয়েশিয়া শুটিং ফেডারেশন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.