ফাইল ছবি।

মালদহ: ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের প্রধান তথা ফুরফুর শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীর মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক ছড়াল। মালদহে একটি ধর্মীয় জলসায় কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে তুলোধনা করেন আব্বাস। অনুগামীদের সামনে মঞ্চে তিনি বলেন, ‘‘আমরা হাতে চুরি পড়ে নেই। বিজেপি দশটা মারলে আমরা বিশটা মারব।’’

রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন নাম আব্বাস সিদ্দিকী। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বড়সড় থাবা বসাতে পারে আব্বাসের তৈরি নতুন দল। ইতিমধ্যেই যা নিয়ে জোর জল্পনা রাজ্য-রাজনীতিতে। আব্বাসের দলকে কাছে টানতে চেষ্টার কসুর করছে না কোনও দলই।

ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসে আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এবার মিমও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানা গিয়েছে। আব্বাসের দলের সঙ্গেই সমঝোতা করে ভোটে লড়ার কথা জানিয়েছেন মিম প্রধান ওয়েইসি।

দুই ২৪ পরগনা, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর-সহ একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই আব্বাস সিদ্দিকীর বহু অনুগামী তৈরি হয়েছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে তাঁদের কাজে লাগিয়েই নির্বাচনে সাফল্য পেতে চাইছেন আব্বাস।

এর আগে ফুরফুরা শরিফে গিয়ে আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান থেকে শুরু করে অধীর চৌধুরীরা। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রও আব্বাসের দলের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা বলে জানিয়েছেন।

সব মিলিয়ে বাম ও কংগ্রেস দু’পক্ষই আব্বাসের দলের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা রেখেছে। আব্বাস সিদ্দিকী নিজেও অন্য কোনও দলের সঙ্গে সমঝোতা করে ভোটে লড়ার পক্ষপাতী বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সভা-সমাবেশে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন আব্বাস। তবে মালদহের কালিয়াচকের বামনগ্রামে একটি জলসায় তাঁর মন্তব্য তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছে।

বিধানসভা ভোটে মালদহে প্রার্থী দেবে আব্বাসের দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। তিনি নিজেই একথা ঘোষণা করেছেন। এর পরেই বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমরা হাতে চুরি পড়ে বসে নেই। বিজেপি দশটা মারলে আমরা বিশটা মারব।’’

বিজেপির সমালোচনার পাশাপাশি এদিন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলেরও কড়া সমালোচনা করেছেন আব্বাস। তিনি আরও বলেন, ‘‘তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিলাম। আমি ওদের ৪৪টা আসন ছাড়তে বলেছিলাম। ওরা গায়ের জোর দেখাচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। বিজেপির জুজু দেখিয়ে জেলে ভরছে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।