নয়াদিল্লি: ভিনগ্রহীদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানী। আর সেই গবেষণা করতে গিয়ে ভিনগ্রহীদের উপস্থিতির আভাস পেয়েছেন তিনি। ড. ভিসাল গজ্জর নামে ওই বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, পৃথিবী থেকে ৩০ লক্ষ আলোকবর্ষ দূর থেকে ভিনগ্রহীদের সাড়া পাওয়া গিয়েছে। অর্থাৎ ভেসে এসেছে রেডিও তরঙ্গ।

Breakthrough Listen নামে একটি ১০০ মিলিয়ন ডলারের প্রজেক্টে কাজ করছেন তিনি। ওই গবেষক জানান, দূরের এক ছায়াপথ থেকে ১৫টি রেডিও তরঙ্গ ধরা পড়েছে। পাঁচ ঘণ্টা ধরে অবজার্ভ করার পর ওই তরঙ্গ বোঝা গিয়েছে।

‘ব্রেক থ্রু লিসেন’ নামে ভারতীয় ওই মহাকাশ গবেষণা প্রকল্পের উদ্দেশ্যই ছিল, পৃথিবী ছাড়াও মহাকাশে অন্য কোনও গ্রহে প্রাণ রয়েছে কি না, সেটা স্পষ্টভাবে জানা। আর এবার সেই প্রকল্পই সাফল্যের মুখ দেখল। ৩০ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরের একটি বামন ছায়াপথ থেকে ভেসে আসা ১৫ বারেরও বেশি রেডিও তরঙ্গ রেকর্ড করতে সক্ষম হন বিশাল। মনে করা হচ্ছে, মহাকাশযানে যে এনার্জি সোর্স ব্যবহার করা হয়, সম্ভবত সেরকমই কোনও এনার্জি ব্যবহার করছিল পৃথিবী থেকে বহু দূরের ওই বামন ছায়াপথের বাসিন্দারা।

একটি সংবাদমাধ্যমকে ‘ব্রেক থ্রু লিসেন’ প্রকল্পের কর্তারা জানিয়েছেন, বহু বছর আগে ওই ১৫টি রেডিও বার্তা পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় আমাদের সৌরজগতের বয়স ২ বিলিয়ন বছর ছিল। পৃথিবীতে তখন এককোশি প্রাণী র অস্তিত্ব ছাড়া আর কিছুই ছিল না। তারও কয়েক বিলিয়ন বছর পর এক থেকে বহুকোষী প্রাণীর বিবর্তন ঘটে। এরকম প্রথম রেডিও বার্তাটি প্রথম গৃহীত হয় অস্ট্রেলিয়ায়।

মহাকাশের অন্য কোনও গ্রহ থেকে ভেসে আসা বার্তা গ্রহণ করতে ২০১৫ সালে পথ চলা শুরু হয় ‘ব্রেক থ্রু লিসেন’ প্রকল্পের। স্টিফেন হকিং ও ইউরি মিলনারের সহায়তায় ও একটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উদ্যোগে সূচনা হয় এই মেগা প্রজেক্টরের। সেই প্রকল্পেরই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ভারতীয় বিজ্ঞানী বিশাল গজ্জার। আর তাঁর হাত ধরেই আজ ইতিহাসের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।