নয়াদিল্লি : ভারতীয় রেল উৎসবের মরশুমে বিশেষ ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছিল আগেই। সেই স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে মঙ্গলবার থেকে। ৩৯২টি ট্রেন চালানো হবে বলে খবর। ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত এই ট্রেন চালানো হবে। যে যে স্টেশন থেকে ট্রেনগুলি ছাড়বে, তার মধ্যে রয়েছে কলকাতাও।

এছাড়াও পাটনা, বারাণসী, লখনউ থেকেও এই ট্রেনের সুবিধা মিলবে। উৎসবের মরশুমে অর্থাৎ দুর্গা পুজো, দশেরা, দিওয়ালি ও ছট পুজোর জন্য ক্রমশ চাহিদা বাড়ছে যাত্রীদের। ভিড় সামাল দিতেই বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এক বিবৃতি প্রকাশ করে রেলমন্ত্রক জানিয়েছে এই বিশেষ ট্রেনগুলির ভাড়া অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মেল বা এক্সপ্রেস ট্রেনে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি হলেও, এই ট্রেনগুলিতে ভাড়া বাড়ানো হয়নি। তবে যে সকল যাত্রীদের প্রয়জনীয়তা রয়েছে তাদের কাছে এটি যথেষ্ট সুবিধাদায়ক বলে মনে করা হয়েছে। জানা গিয়েছে স্পেশাল চার্জ ১০ শতাংশ ধার্য হবে সেকেন্ড ক্লাস টিকিটের জন্য। আর বাকি ক্ষেত্রে এই চার্জ ধার্য করা হবে ৩০ শতাংশ। উৎসব উপলক্ষে মানুষের ভিড় কমানোর জন্য কেন্দ্রের তরফে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এর ফলে সাধারণের যথেষ্ট সুবিধা হবে। ট্রেনগুলি প্রতি ঘন্টায় ৫৫ কিমি করে হবে। এদিকে, জানানো হয়েছে খুলে গিয়েছে রেলের টিকিট রিজার্ভেশন কাউন্টার। এই ঘোষণা করে দক্ষিণ পশ্চিম রেলওয়ে। জানানো হয়েছে কম্পিউটার পরিচালিত টিকিট বুকিং কাউন্টারগুলি খুলে দেওয়া হয়েছে। ১৬ই অক্টোবর থেকে এই সিদ্ধান্ত জারি করা হয়। টিকিট রিজার্ভেশনের জন্য যাতে সাধারণ যাত্রীদের সমস্যায় পড়তে না হয়, তার জন্যই এই ব্যবস্থা। এক সরকারি বিবৃতিতে দক্ষিণ পশ্চিম রেলওয়ে জানিয়েছে, মালেশ্বরম, হোয়াইটফিল্ড, কুপ্পাম, কারমেলারাম, ডোড্ডাবাল্লাপুর, চিক্কাবানাওয়ার, বনসওয়াড়ি, বেঙ্গালুরু ইস্ট, গৌরিবিদানুর, পেনুকোন্ডা, মাড্ডুরু ও চিক্কাবল্লাপুরা স্টেশনে খুলে যাচ্ছে টিকিট রিজার্ভেশন কাউন্টার। তবে টিকিট কাটার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ পশ্চিম রেলওয়ে। মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, স্যানিটাইজার ব্যবহার করার মতো একাধিক নিয়ম মেনেই টিকিট কাটতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.