নয়াদিল্লি: ভারতের মত দেশে এখনও মহিলাদের পিরিয়ডস নিয়ে রয়েছে অনেক ছুৎমার্গ। তাই আজও মহিলাদের হঠাৎ প্রয়োজনে স্যানিটারি ন্যাপকিন চাইতে হয় লুকিয়ে-চুরিয়েই। কালো প্যাকেটে মুড়ে দোকান থেকে কিনতে হয় ন্যাপকিন। ট্যুইট পেয়ে ন্যাপকিন পৌঁছে দিয়ে সেসব ছুৎমার্গের মুখে জল ঢালল ভারতীয় রেল।

আগেও ট্রেনের মধ্যে আচমকা প্রয়োজনে বিভিন্ন জিনিস পৌঁছে দিয়ে নজির গড়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। বিশেষ সুরেশ প্রভু রেলমন্ত্রী থাকাকালীন শুরু হয় এই ট্রেন্ড। তবে ন্যাপকিন পৌঁছে দেওয়ার মত ঘটনা বোধহয় আগে ঘটেনি।

ট্রেনে হঠাৎ পিরিয়ডস হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়তে হয় এক যাত্রী। তাঁর হয়ে ট্যুইটটি করেন তাঁর এক বন্ধু। বিশাল খানাপুরে নামে ওই যুবক রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং রেল কর্তৃপক্ষকে ট্যাগ করে ট্যুইটটি করেন। এরপরই সাহায্য করা হয় তাঁর বান্ধবীকে। ট্যুইটেই সেকথা জানিয়েছেন কর্ণাটকের কালাবুর্গির বাসিন্দা ওই যুবক।

রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ‘হসপেট প্যাসেঞ্জার’ ট্রেনটি বেঙ্গালুরু থেকে ছাড়ে। পরের দিন সকাল ৯টা ৪০-এ বেলারিতে পৌঁছয় ওই ট্রেন। ওই ট্রেনেই ছিলেন বিশালের বান্ধবী আর্কেটেকচারের ছাত্রী।

বিশাল ট্যুইট করার পর রাত ১১টা ৬ মিনিটে রেলের তরফ থেকে ওই যাত্রীর পিএনআর ডিটেল জানতে চাওয়া হয়। চাওয়া হয় মোবাইল নম্বরও। এরপর রাত ২টোয় ট্রেন পৌঁছয় আরাসিকেরে স্টেশনে। সেখানেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে হাজির ছিলেন রেলের আধিকারিকরা।

রেলের এই তৎপরতায় খুশি ওই যাত্রী।

Advertisements