নয়াদিল্লি: স্টেশনগুলোকে ঢেলে সাজাতে ভারতীয় রেলেওয়ে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের জাতীয় ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক হিসাবে ভারতীয় রেল স্টেশনগুলো পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।সেই কারণে নোডাল এজেন্সি, রেলের জমির বাণিজ্যিক উন্নয়নের জন্য এক ধরণের ‘ফর্ম-ভিত্তিক কোড’ তৈরি করেছে। ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (The Indian Railways Station Development Corporation) এই স্টেশন পুনর্নির্মাণ প্রকল্পটির কাজ করছে। গৃহ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রকের(Ministry of Housing and Urban Affairs) জারি করা গাইডবুক অনুসারে, এই ফর্ম ভিত্তিক কোড পদ্ধতি জারি করা হয়েছে।

সংস্থার এক বিবৃতি অনুসারে, ট্রানজিট-ভিত্তিক উন্নয়নের নীতির (transit-oriented development ) ভিত্তিতে রেলওয়ে জমি বা রেলস্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলগুলির পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে অর্থাৎ ‘রেলোপলিস’ তৈরী করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুনঃনির্মাণের পরে স্টেশনগুলি যাত্রীদের বিশ্বমানের, অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা দেবে।’রেলোপলিস’ সকলের ব্যবহারের জন্যে একটি স্মার্ট সিটি হয়ে উঠবে। যেখানে লোকেরা বসবাস করতে, কাজ করতে এবং খেলতে পারে।এই অঞ্চলগুলিতে বিশাল বিনিয়োগের সুযোগ তৈরী হবে এবং মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়াবে।

স্টেশন পুনর্নির্মাণের প্রকল্পটি ত্বরান্বিত করতে, এবং সেখানকার ব্যবসা বাণিজ্য আরো উন্নতি করতে এবং এই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ করার জন্য, সংস্থাটি হ্যান্ডবুক এবং কোডগুলি চালু করেছে। ফর্ম-ভিত্তিক কোড পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে এই প্রজেক্টের মানদণ্ড, নির্দেশিকা আলোচনা করা হবে। স্টেশন পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা এবং রেলওয়ের জমির বাণিজ্যিক উন্নয়ন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত হবে নোডাল দ্বারা।

সংস্থাটি জানিয়েছে যে, এই খসড়া কোডগুলি ইতিমধ্যেই নাগপুর, চন্ডীগড়, অমৃতসর, গোয়ালিয়র, বিজওয়াসন, আনন্দ বিহার প্রভৃতি স্টেশনগুলো পুনর্নির্মাণের ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।ভারতীয় রেলওয়ে স্টেশন উন্নয়ন কর্পোরেশন অনুসারে, কোড বা হ্যান্ডবুক / গাইডবুক ছয়টি অংশে সংকলিত হয়েছে। যেগুলো হল –

১.স্টেশন পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনার জন্য হ্যান্ডবুক
২.রেলপথ ও স্টেশন পুনর্নির্মাণের জন্য জাতীয় ট্রানজিট-ভিত্তিক উন্নয়ন নীতি পরিচালনার জন্য গাইডবুক
৩.রেল জমির বাণিজ্যিক উন্নয়নের জন্য ফর্ম ভিত্তিক কোড
৪.বাণিজ্যিক সম্পদের আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের জন্য কোড
৫.রেলওয়ের জমিতে বাণিজ্যিক উন্নয়নের জন্য গ্রীন বিল্ডিং কোড
৬.হেরিটেজ সম্পত্তির জন্যে কোড

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.