নয়াদিল্লিঃ ফের ধাক্কা চিনের। ভারতীয় রেলের কাজ থেকে কার্যত ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হল চিনের এক সংস্থাকে। জানা গিয়েছে, কাজের উন্নতি এবং মান না ঠিক হওয়ার কারণে রেলের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সংস্থাকে রেলের টেলিকমিউনিকেশন এবং সিগনালিং এর কাজের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঠিক ভাবে কাজ না করার জেরে সরিয়ে দেওয়া হল ওই সংস্থাকে।

জানা গিয়েছে ৪১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি করিডর যা কানপুর থেকে মুঘলসরাই পর্যন্ত বিস্তৃত সেখানেই চিনের এই সংস্থাকে কাজের বরাত দেওয়া হয়েছিল। সিগন্যালিং সহ একাধিক কাজ দেওয়া হয় সেই সংস্থাকে। কিন্তু আশানুরূপ ফল না মেলাতে চুক্তি বাতিল করা হয়েছে ওই সংস্থার সঙ্গে।

ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার(ডিএফসিএল) ম্যানেজিং ডিরেক্টর অনুরাগ সাচান জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ওই সংস্থাকে সেই কাজ থেকে সরানোর চিঠি পাঠানো হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন যে, ১৪ দিনের নোটিশের পরেই দেওয়া হয়েছে ওই টারমিনেশনের চিঠি। ওই সংস্থার সঙ্গে যথেষ্ট মূল্যর চুক্তি করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু কেবলমাত্র কাজের ফলাফল আশানুরুপ হওয়ার কারণেই চুক্তি বাতিল করা হয়েছে ওই সংস্থার সঙ্গে।

যদিও সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ওই সংস্থাকে কাজ থেকে বের করার পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল গত বছরেই। কারণ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি ওই সংস্থা। শুধু তাই নয়, কাজের মানও ভালো নয়। আর সেই কারণেই চিনের ওই সংস্থাকে তাঁদের কাজ থেকে যাতে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া যায় তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু হয়। অবশেষে সরিয়ে দেওয়া হল।

জানা গিয়েছে ওই সংস্থাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তার মাত্র ২০ শতাংশ কাজ তারা সম্পূর্ণ করেছিল। যার জেরেই আরও ক্ষুব্ধ রেলমন্ত্রক। ডিএফসিএলের তরফে জানানো হয়, বিশ্ব ব্যাংকের কাছে এই প্রকল্পটিতে আর্থিক সাহায্যের জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কাজে অত্যন্ত দেরি হওয়ার জন্য তারা চিনা সংস্থাকে বাতিল করেছে।

পাশপাশি তারা এই বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের তরফে এনওসির জন্য অপেক্ষা করছেন। তবে জানানো হয়েছে বাকি কাজটুকু তারা নিজেদের আর্থিক ক্ষমতার ভিত্তিতেই করবে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই চিন ভারত সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ানের শহিদ হয়।

এরপরেই ভারতের তরফে চিনকে ভাতে মারার ছক কষা হয়। কার্যত চিনের সঙ্গে একের পর এক সব সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়। ব্যান করা হয় একাধিক চিনা পণ্য। এমনকি অ্যাপও ব্লক করে দেওয়ার কথা বলা হয়। ভারতীয় বিভিন্ন কাজে নিযুক্ত চিনা সংস্থার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.