সিডনি: গোদের উপর বিষ ফোঁড়া! এসসিজি-তে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচে হারের পাশাপাশি জরিমানা গুনতে হচ্ছে বিরাট কোহলিদের৷ স্লো-ওভার রেটের জন্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি-র ২০ শতাংশ কেটে নেওয়া হল৷

তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ রবিবার৷ এই ম্যাচ হারলেই সিরিজ হারবে ভারত৷ করোনা আবহে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে নাস্তানাবুদ হয় টিম ইন্ডিয়া৷ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচে ৬৬ রানে পর্যুদস্ত হল ‘মেন ইন ব্লু’৷ প্রথম ব্যাটিং করে অ্যারন ফিঞ্চ ও স্টিভ স্মিথের জোড়া সেঞ্চুরি, ওয়ার্নারের হাফ-সেঞ্চুরি এবং ম্যাক্সওয়েলের ১৮ বলে ৪৫ রানে ভর করে ৩৭৪ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া৷ রান তাড়া করতে নেমে ৩০৮ রান তোলে ভারত৷

এসসিজি-তে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ৷ ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করেন অজি ব্যাটসম্যানরা৷ প্রথম দুই ওপেনারের দেড়শো রানের পার্টনারশিপে বড় রানের ভিত গড়েছিল অস্ট্রেলিয়া৷ টি-২০ ঢংয়ে ব্যাটিং করে বিরাটদের কঠিন টার্গেট চাপিয়ে দেয় অজিবাহিনী। অ্যারন ফিঞ্চ ও স্টিভ স্মিথের দুরন্ত সেঞ্চুরি সঙ্গে ডেভিড ওয়ার্নারের হাফ-সেঞ্চুরি ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ঝোড়ো ইনিংসে বিরাট কোহলির সামনে ৩৭৫ রানের টার্গেট রাখে অস্ট্রেলিয়া।

ওপেনিং জুটি ওয়ার্নার ও ফিঞ্চ ১৫৬ রান যোগ করে দিনের শুরুটা করেছিলেন৷ তারপর স্মিথ ও ম্যাক্সওয়েল বিরাটের বোলারদের ক্লাবস্তরে নামিয়ে এনে অস্ট্রেলিয়াকে সাড়ে তিনশো রানের গন্ডি পার করাতে সাহায্য করেন৷ অজি ব্যাটসম্যানদের হাতে মার খেয়ে নির্ধারিত সময়ে ওভার শেষ করতে পারেনি ভারতীয় বোলাররা৷ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এক ওভার কম বল করে৷

শনিবার আইসিসি এক প্রেস রিলিজে জানায়, ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন৷ সুতরাং কোনও শুনানি দরকার নেই৷ ভারতীয় দল এক ওভার কম বল করেছে৷ আইসিসি এলিট প্যানেল ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন বিরাট কোহলির দলের জরিমানা ধার্য করেছে৷ আইসিসি-র ২.২২ ধারায় প্লেয়ারদের ‘কোড অফ কন্ডাক্ট’-এ এক ওভার কম বল করায় ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি-র ২০ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।