নয়াদিল্লি: সংসদের ক্যান্টিনের খাবারে উঠে গেল ভর্তুকি। এবার থেকে লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদদের খাবারের টাকায় আর ভর্তুকি দেবে না কেন্দ্রীয় সরকার। ইঙ্গিতটা আগেই দিয়েছিলেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। এবার হলও তাই।

সংসদের ক্যান্টিনের খাবারের নয়া রেট কার্ড প্রকাশ করা হয়েছে। ৩ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকা পর্যন্ত খাবারের দাম রাখা হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই সংসদ ভবনের ক্যান্টিনে এই নয়া দামেই খাবার মিলবে।

সংসদের ক্যান্টিনে প্রায় ‘নিখরচায়’ ভুরি-ভোজে ইতি টানল মোদী সরকার। দীর্ঘধিন ধরে দেশের সাংসদদের জন্য রাখা খাবারের দামে ভর্তুকি দিচ্ছিল কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদদের জন্য ক্যান্টিনে সস্তা খাবার নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি।

সাধারণ মানুষকে যখন রেস্তোরাঁ বা অন্য দোকানে চড়া দামে লোভনীয় সব পদের স্বাদ নিতে হয় , তখন সাংসদদের কেন এই বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন সময় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। লোকসভার বর্তমান অধ্যক্ষ ওম বিড়লা সংসদের ক্যান্টিনের খাবারের দাম বাড়ার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন। এবার প্রকাশিত হল খাবারের নয়া রেট-কার্ড। যেখানে ৩ টাকা থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত খাবারের মেনু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংসদ ভবনের ক্যান্টিনে নয়া তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে সস্তার খাবার হল রুটি। তার দাম রাখা হয়েছে ৩ টাকা। সবচেয়ে দামী খাবার হল ননভেজ বুফে লাঞ্চ। যার দাম পড়বে ৭০০ টাকা। এছাড়াও ভেজ বুফে লাঞ্চে দাম ৫০০ টাকা রাখা হয়েছে। নিরামিশ পদের ক্ষেত্রে এটাই সবচেয়ে ব্যয়বহুল ডিস।

সংসদের ক্যান্টিনের নতুন দাম অনুযায়ী চিকেন বিরিয়ানি, চিকেন কাটলেট, চিকেন ফ্রাইয়ের দাম ১০০ টাকা রাখা হয়েছে। ভেজ থালির দামও ১০০ টাকা রাখা হয়েছে। ৭৫ টাকায় মিলবে চিকেন কারি, ১২৫ টাকায় মিলবে মটন কারি। এছাড়াও ১৫০ টাকায় মিলবে মটন বিরিয়ানি ও মটন কাটলেট। অপেক্ষাকৃত সস্তার খাবারের তালিকায় থাকছে ব্রেড পাকোড়া এবং সিঙ্গাড়া, দাম রাখা হচ্ছে ১০ টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।