প্রতীকী ছবি৷

সিঙ্গাপুর: নাবালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ১০ মাসের হাজতবাসের শাস্তি পেল এক ভারতীয় ছাত্র৷ গত বছর মে মাসের ঘটনা৷ হরি কুমার আনপালাগানকে মঙ্গলবার দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, ১৮ বছরের কম বয়সের এক যৌন কর্মীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য৷ যদিও ওই নাবালিকার দাবি সে অর্থের বিনিময়ে এই কাজ করে৷ তবে কিশোরীর অভিযোগ ওই ছাত্র তাকে কোনও টাকা দেয়নি, কাজের বিনিময়ে৷

পড়ুন: মহিলাদের জোর করে দেহ-ব্যবসায় নামানোর রানীকে ধরল পুলিশ

সূত্রের খবর, সোশ্যাল মিডিয়াতেই আলাপ দুজনের৷ একটি মোবাইল কিনে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দেয় ওই নাবালিকা৷ সেখানেই তাকে অর্থ সাহায্য করার কথা বলে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে আনপালাগান৷ বিনিময়ে সে কি পাবে প্রশ্ন করলে কিশোরী শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়৷ সেই মতোই গত বছর মে মাসে দুজনে দেখা করে মেয়েটির অ্যাপার্টমেন্টে৷ নাবালিকা জানা সত্ত্বেও আনপালাগান শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে৷ কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৭০ সিঙ্গাপুর ডলার কিশোরীকে দেয়নি সে, অভিযোগ এমনই৷

পড়ুন: ছেলে সেজে তিন মহিলাকে বিয়ে নাবালিকার! এরপর…

পরে ওই নাবালিকার সন্দেহজনক আচরণ ধরা পড়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে৷ পুলিশকে তার বিষয়ে জানাতেই প্রকাশ্যে আসে সবকিছু৷ আনপালাগান এবং মেয়েটির মধ্যে যেসব মেসেজ আদান প্রদান হয় সেই মেসেজ-এর সূত্র ধরে গ্রেফতার করা হয় আনপালাগানকে৷ যদিও তার বক্তব্য সে কোনওরকম শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়নি তার সঙ্গে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.