নয়াদিল্লি: লাদাখে ভারত-চিন সীমান্তে উত্তপ্ত পরিবেশ। লালফৌজের চোখে চোখ রেখে জবাব দিতে পুরোদস্তুর তৈরি ভারত। সীমান্তে সেনা-জমায়েত বিপুল পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। গালওয়ান সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় মুহূর্মূহু ছুটছে সেনার গাড়ি। এই পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় বিপুল জ্বালানির রসদের চাহিদা তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই ওই এলাকার পেট্রোল পাম্প ও তেলের ডিপোগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল মজুত করা শুরু করেছে তেল সংস্থাগুলি।

একইসঙ্গে লাদাখ সীমান্ত এলাকায় সেনার কপ্টারগুলিও যাতে জ্বালানি ভরতে সহজেই ওঠা-নামা করতে পারে সেই কারণে তেল সংস্থাগুলিও ওই এলাকার বিভিন্ন জায়গায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রাখছে। কপ্টার নামতে সুবিধা করে দিতে তেলের ডিপো বা পাম্পগুলিকে আরও উন্নত সুবিধাযুক্ত করা হচ্ছে।

ট্রান্সপোর্টাররা জানিয়েছেন, প্রতিদিন ইন্ডিয়ান অয়েলের জম্মু, জলন্ধর ও সংগ্রুর স্টোরেজ টার্মিনাল থেকে কার্গিল, লেহ এবং অন্যান্য এলাকা থেকে ডিজেল, বিমান জ্বালানি, কেরোসিন এবং পেট্রোল নিয়ে একশোরও বেশি ট্যাঙ্কার ছেড়ে যাচ্ছে। জ্বালানি বহনের জন্য পাঞ্জাবের ভাটিন্ডায় হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের তেল শোধনাগার থেকেও ট্যাঙ্কার পাঠানো হচ্ছে।

সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এপ্রিলের ৭ তারিখ পর্যন্ত তেল সংস্থাগুলি অসামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহার এবং প্রতিরক্ষা বাহিনী উভয়ের জন্য এই বছর মোট দেড় হাজার কিলোলিটার তরল জ্বালানি এবং ৩,৩০০ টন এলপিজি সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছিল।

তবে লাদাখ সীমান্তে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তেল সংস্থাগুলি বর্ষা শুরুর আগেই পর্যাপ্ত সংখ্যায় ট্যাঙ্কার পাঠিয়ে লাদাখ ও সংল্গন এলাকাগুলিতে জ্বালানি পাঠানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। লাদাখ সীমান্তের পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনার সাঁজোয়া গাড়ি চলাচলের জন্য জম্মু-শ্রীনগর-কারগিল-লেহ এবং মানালি-লেহ রুটে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV