নয়াদিল্লি: হাজার-হাজার কোটি টাকার মাদক উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। সোমবার আরব সাগরে অন্য দিনের মতোই টহলদারি চালাচ্ছিল নৌসেনার আইএনএস সুবর্ণ (INS Suvarna) নামের জাহাজটি। ঠিক সেই সময় নৌসেনার জওয়ানদের নজরে আসে একটি মাছ ধরার ভেসেল। সেই ভেসেলের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় ধাওয়া করে নৌসনার জাহাজ। শেষমেশ মাছ ধরার ওই ভেসেলটি ধরে ফেলে তল্লাশি শুরু করেন নৌসেনার আধিকারিকরা। ভেসেলে তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে। যার বাজারমূল্য ৩ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন ভারতীয় নৌসেনার আধিকারিকরা।

বহিঃশত্রুর আক্রমণ বা কোনও নাশকতা ভেস্তে দিতে ইন্ডিয়ান আর্মি, এয়ারফোর্সের পাশাপাশি সদা সতর্ক ইন্ডিয়ান নেভি। দেশের জলসীমান্তে বছরভর কড়া নজরদারি রাখে ভারতীয় নৌসেনা। অন্যান্য দিনের মতোই সোমবার আরব সাগরে রুটিন নজরদারি চালাচ্ছিল ভারতীয় নৌসেনার জাহাজ আইএনএস সুবর্ণ। নজরদারি চালানোর সময়েই একটি মাছ ধরার ভেসেল তাঁদের নজরে আসে।

ভেসেলটির গতিবিধি সন্দেহজনক বলে মনে হয় নৌসেনার অফিসারদের। সেই কারণেই সেটিকে থামানোর চেষ্টা শুরু করেন নৌসেনার আধিকারিকরা। ধাওয়া করে দ্রুত মাছ ধরার ভেসেলটির কাছে পৌঁছে যায় ভারতীয় নৌসেনার জাহাজ। ভেসেলটি আটক করা হয়। ভেসেলে নেমে সেটিতে তল্লাশি শুরু করেন নৌসেনার আধিকারিকরা। ওই ভেসেল থেকে ৩০০ কেজি মাদক উদ্ধার করেছেন নৌসেনার আধিকারিকরা।

ভেসেল থেকে মাদক-সহ বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের কেরলের কোচি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন নৌসেনার আধিকারিকরা। নৌসেনার তরফে জানানো হয়েছে, আরব সাগরে মাছ ধরার ওই ভেসেল থেকে বাজেয়াপ্ত করা বিপুল পরিমাণ মাদকের আনুমানিক বাজারদর প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

নৌসেনার আধিকারিকরা এটিকে বড়সড় সাফল্য হিসেবে মনে করছেন। তাঁদের আরও অনুমান, এই চোরা কারবারের পিছনে বড়সড় কোনও চক্র থাকতে পারে। বিপুল পরিমাণ এই মাদক ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার ছক ছিল তা ধৃতদের জেরা করে জানার চেষ্টা চলছে। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ এই মাদক চোরাচালানের চেষ্টার পিছনে নাশকতার কোনও পরিকল্পনা ছিল কিনা ধৃতদের জেরা করে তা জানার চেষ্টা করছেন নৌসেনার আধিকারিকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.