নিউজ ডেস্ক: পুলওয়ামার ঘটনার পরে পাকিসের বালাকোটে হামলা চালিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই ঘটনার মাস খানেক পরেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আসরে নেমেছে ভারতের নোবাহিনী।

এক্ষেত্রে পড়শি রাষ্ট্র পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে কোনও আক্রমন বা হামলা চালানোর লক্ষ্য নেই ভারতের। কার্যত আত্মরক্ষার জন্যেই পাকিস্তানের সাবমেরিন খুঁজছে ভারতের নৌসেনা। সূত্রের খবর দীর্ঘ ২১ ধরে পাকিস্তানের যুদ্ধজাহাজের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন- বিজেপির বর্তমান অবস্থা দেখলে আত্মহত্যা করতেন শ্যামাপ্রসাদ: শোভনদেব

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজের অবস্থান টের পাওয়া যাচ্ছে না। পাকিস্তানের বন্দর শহরে করাচি উপকূলে সেটি রাখা থাকতো। যেটির গতিবিধির উপরে নিয়মিত নজর রাখা হতো। কিন্তু গত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে সেটির অবস্থান সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র দফতর এবং সেনাবাহিনীর কর্তাদের।

পুলওয়ামায় জঙ্গি হানায় ৪০ জনেরও ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন। বালাকোটে ভারতের প্রত্যাঘাতে বেশ ভালৈ ক্ষতি হয়েছে পাকিস্তানের। তবে সেই ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য নিয়ে বিতর্ক আছে। নৌবাহিনীর কর্তাদের একাংশের ধরণা, এই অবস্থায় জলপথে হামলা করার পরিকল্পনা করেছে পাকিস্তান। যুদ্ধজাহাজ গায়েব হয়ে যাওয়ার কাড়নে সেই আশঙ্কা নিয়ে বিশেষ চিন্তিত ভারত।

আরও পড়ুন-ইথিওপিয়া: সেনা প্রধানকে গুলি করে খুন, অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

ভারতীয় নৌবাহিনীর এক কর্তা জানিয়েছেন যে পাকিস্তানের যে যুদ্ধজাহাজের অবস্থান জানা যাচ্ছে না সেটি বিশেষ শক্তিশালী। প্রযুক্তির সাহায্যে ওই যুদ্ধজাহাজকে জলের অনেক নিচে লুকিয়ে রাখা যায়। যাতে অবস্থান সম্পর্কে কেউ কিছু বুঝতে না পারে। চিন্তার বিষয় হচ্ছে, ওই যুদ্ধজাহাজ মাত্র তিন দিন সময়ের মধ্যে করাচি থেকে ভারতের গুজরাত উপকূলে চলে আসতে পারে। আর ভারতের বাণিজ্য নগরী মুম্বইতে আসতে সময় লাগবে মাত্র পাঁচ দিন।

কিন্তু গত ২১ ধরে পাকিস্তানের ওই বিশেষ সাবমেরিনের কোনও হদিশ পাচ্ছে না ভারতীয় নৌবাহিনী। আরব সাগর উপকূলে সেই কারণে নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।