নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসের কারণে অলিম্পিক কোয়ালিফায়ার থেকে সরে দাঁড়াল ভারতীয় জুডো দল৷ ক্যাম্পে ১৬ সদস্যের ভারতীয় জুডো দলের এক সদস্যসের করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত বলে জুডো ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া’র সুত্রে জানা গিয়েছে৷

কিরগিজস্তানের বিসকেকে এশিয়া-ওশেনিয়া অলিম্পিক কোয়ালিফায়ারের জন্য তৈরি হচ্ছি ভারতীয় দল৷ কিন্তু ভারতীয় জুডো ক্যাম্পে করোনা হানা দেওয়ায় বেঁকে বসে ভারতীয় দল৷ টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগে ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য রি’র করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷ তারপরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ কিরগিজস্তানে পৌছঁনোর পর ভারতীয় দলের এই সদস্যের কোভিড টেস্ট হয়৷ যাতে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷

Judo Federation of India-এর সুত্র সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছে, ‘হ্যাঁ, ৫ এপ্রিল কিরগিজস্তানের বিসকেকে নামার পরই আমাদের দলের এক সদস্যের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ ফলে আন্তর্জাতিক জুডো ফেডারেশনের গাইডলাইন মেনে পুরো দলই টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁডায়৷ ১৪ সদস্যের দলে ১২ জন খেলোয়াড় এবং চার জন কোচ রয়েছে৷ বিসকেকে এশিয়া-ওশেনিয়া অলিম্পিক কোয়ালিফায়ার টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে মঙ্গলবার৷ শেষ হবে শনিবার৷

দলে বিশিষ্ট জুডোকাসের মধ্যে রয়েছেন শুশিলা দেবী (মহিলাদের ৪৮ কেজি), জসলিন সিং সায়নী (পুরুষদের ৬৬ কেজি), তুলিকা মান (মহিলাদের ৭৮ কেজি) এবং অবতার সিং (পুরুষদের ১০০ কেজি)। চারজনই একটি কন্টিনেন্টাল কোটায় দৌড়ে ছিলেন৷ কিন্তু একজনের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসায় বিসকেকে এখন পুরো ভারতীয় দল ১৪ দিনের জন্য আইসোলেশনে রয়েছে৷
Judo Federation of India-র অব্যবস্থাপনার জন্য এই অবস্থা হয়ে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন৷ ফেডারেশন পুরো দলকে একসঙ্গে ভ্রমণ করার অনুমতি দিয়ে দেশের সম্ভাবনাকে সমস্যায় ফেলেছে।

করোনার ভয়ে ইতিমধ্যেই টোকিও অলিম্পক থেকে সরে দাঁড়িয়েছে উত্তর কোরিয়া৷ মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার স্পোর্টস মিনিস্ট্রার জানিয়েছেন, তার দেশ করোনা ভাইরাসের কারণে টোকিও অলিম্পিকে অংশ গ্রহণ করবে না৷ অর্থাৎ ১৯৮৮ সালে Cold War-এর সময় সিওল অলিম্পিক বয়কট করেছিল উত্তর কোরিয়া৷ তারপর প্রথমবার কোনও গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক থেকে সরে দাঁড়াল তারা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।