ঢাকা: করোনা সংক্রমণের জেরে ভারতের সঙ্গে সব স্থলসীমান্ত বন্ধ। এর মাঝে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলা থেকে সীমান্ত পেরিয়ে গোপনে বাংলাদেশে ঢুকে ধরা পড়লেন এক ভারতীয় যুবতী। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাকে আটক করে। পরে বিএসএফের সঙ্গে আলোচনা করে ওই যুবতীকে ফেরত পাঠানো হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, ভারত সীমান্তের কোচবিহার জেলার লাগোয়া বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে ময়না নামের ওই যুবতী। তার উদ্দেশ্যহীন ঘোরাফেরায় সন্দেহ হয়। আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ করতেই ময়না জানায়, সে ভারতের কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার বসকোঠাল গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম তপুরউদ্দিন। কেন সে ঢুকেছে বাংলাদেশে সেটা স্পষ্ট হয়নি।

শুক্রবার সকালে ফুলবাড়ির খলিশাকোঠাল সীমান্তের আন্তর্জাতিক ৯৩৫/৪ পিলারের কাছ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ময়না। টহলরত বিজিবির সদস্যরা তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। জেরায় ভারতীয় যুবতী ময়না বলে হারিয়ে যাওয়া ছাগল খুঁজতে ভুল করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
এরপর বিজিবি যোগাযোগ করে বিএসএফের সঙ্গে।

ময়না কে ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ করে বিএসএফ। টানা চার ঘণ্টা আলোচনার পর বাংলাদেশ থেকে ওই ভারতীয় যুবতী কে ফেরত পাঠানো হয়। ময়না কে হস্তান্তর করার সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বালারহাট বিওপির নায়েক সুবেদার ফরিদুর রহমান ও ভারতীয় ৩৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বসকোঠাল বিওপির এসআই শ্যাম পাল।

সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষীরা সতর্ক। করোনা সংক্রমণের কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সব সীমান্ত চেকপোস্টে আসা যাওয়া বন্ধ রয়েছে।

করোনা হামলার দ্বিতীয় পর্যায়ে ভারতের সংক্রামণের গ্রাফ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।সেই কারণেই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতের দিকে আটকে পড়েছেন অনেক বাংলাদেশি। তাদের ক্ষোভ বাড়ছে।

বাংলাদেশ সরকার ২৬ এপ্রিল থেকে আগামী ৯ মে পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধের নির্দেশিকা জারি করেছে। ভিসা নিয়ে নতুন করে কেউ দু দেশের মধ্যে যাতায়াত করতে পারবেননা। যেসব বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে আটকে পড়েছেন তাদের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে এনওসি নিয়ে তবেই বাংলাদেশে প্রবেশ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.