নয়াদিল্লি : পূর্ব লাদাখে ভারতকে টেক্কা দিতে এসে নিজেই ধাক্কা খেয়ে চিনা সেনার অবস্থান বদলেছে বেজিং। আরও একবার চিনকে ধাক্কা দিতে তৈরি ভারত। এবার নয়াদিল্লির পাশে দাঁড়িয়ে ইজরায়েল পাঠাচ্ছে শক্তিশালী হেরন ড্রোন।

লাদাখের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নজরদারি চালানোর জন্য হেরন ড্রোনের প্রয়োজন বলে মনে করছে ভারতীয় সেনা। তবে এতেই শেষ নয়। ভারতীয় সেনা পাচ্ছে স্পাইক অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলও। ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে ইতিমধ্যেই হেরন ড্রোন রয়েছে। এই শক্তিশালী ড্রোন ব্যবহার করে নৌসেনাও। সেনার নজরদারিতে হেরন ড্রোন অত্যন্ত উপযোগী।

এর টার্গেট অ্যাকুইজিশন ব্যাটারি যথেষ্ট উন্নত মানের। আপাতত লাদাখ সেক্টরে হেরন ড্রোন দিয়েই নজরদারি চালাচ্ছে বায়ুসেনা। তবে আরও ড্রোন প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে হেরন ইউএভি কেনার বরাত মিলেছে। তবে ঠিক কটি ড্রোন কেনা হবে, তা জানানো হয়নি।

১০ কিমি ওপরে ওড়ার ক্ষমতা সম্পন্ন হেরন টানা দু দিনের বেশি সময় ধরে উড়তে পারে। যে কোনও প্রতিকূল আবহাওয়াতেও কাজ করার ক্ষমতা রাখে হেরন।

এই ইউএভির সশস্ত্র ভার্সন নিয়েও কাজ করতে চাইছে সেনা। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রজেক্ট চিতার আওতাধীন হয়ে এই ড্রোন নিয়ে আসা হবে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় সেনা স্পাইক অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলের বরাত দিতে চাইছে ইজরায়েলকে। এর আগে, ভারতীয় সেনা ১২টি লঞ্চার ও ২০০টি স্পাইক মিসাইল হাতে পায়।

এদিকে, জানা গিয়েছে ড্রোনের ঘাঁটি তৈরি করতে চিন সীমান্তে ৬০ একর জমি নিচ্ছে ভারতীয় সেনা। কুমায়নের পান্তনগরে নেওয়া হচ্ছে সেই জমি। সেখানেই বানানো হবে বেস। এমনটাই সূত্রে জানা যাচ্ছে। যদিও এই সিদ্ধান্ত নতুন নয়।

এর আগেও চিনের আগ্রাসন সহ্য করেছে নয়াদিল্লি। ভারতীয় ভুখন্ডকে নিজেদের বলে বারবার দাবি করছে চিন। এই পরিস্থিতিতে বছরখানেক আগেই বিশাল এই ড্রোনের ঘাঁটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এই বিষয়ে আরও কোনও বিস্তারিত তথ্য দিতে নারাজ জেলা প্রশাসন। চূড়ান্ত গোপন ভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

বছরখানেক আগের একটি তথ্য অনুযায়ী, এটাই প্রথমবার উত্তরাখন্ডের থেকে ড্রোন অপারেট করা হবে। বর্তমানে সেনাবাহিনীর ইউএভি বেস রয়েছে অসমের লালবাড়ি ও কুম্ভীগ্রামে। এক সেনা আধিকারিক সেই সময়ের এক সাক্ষাৎকারে জানিয়ে ছিলেন, উত্তরাখণ্ডে ইউএভি বেস তৈরি হলে চিনের নজরদারি চালানো আরও সহজ হবে।

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব