নয়াদিল্লি: উত্তরপ্রদেশের ভারত-নেপাল সীমান্তে ফের উত্তেজনা। উত্তরপ্রদেশের পিলভিটে ভারত-নেপাল সীমান্তের কাছে গিয়েছিলেন এদেশের তিন নাগরিক। ওই এলাকায় গিয়ে সীমান্তের ওপাড়ে থাকা নেপাল পুলিশের কর্মীদের সঙ্গে তাঁরা তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন বলে জানা যায়। এরপরেই নেপাল পুলিশের তরফে গুলি চালানো হয়।

সেই গুলিতেই এক ভারতীয় নাগরিক গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ বর্তমানে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এরই পাশাপাশি কোনওমতে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে এসেছেন একজন। এখনও এক ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গোবিন্দ সিং নামে এক ব্যক্তি পাপ্পু সিং ও গুরমিত সিংয়ের সঙ্গে পিলভিট এলাকার একটি বাজারে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথেই বিপত্তি। নেপাল সীমান্তের কাছে সেদেশের পুলিশকর্মীদের সঙ্গে আচমকাই বচসায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তবে ঠিক কী কারণে বচসা বাধে তা জানা যায়নি। বচসা কিছুক্ষণ চলার পরেই আচমকা গুলি ছুড়তে শুরু করে নেপালের পুলিশকর্মীরা।

রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ভারতীয় নাগরিক গোবিন্দ সিং। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে পিলভিটের পুলিশ সুপার সংবাদসংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘‘তিন ভারতীয় নাগরিক নেপাল গিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গে কোনও বিষয় নিয়ে নেপাল পুলিশের গন্ডগোল হয়। এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য একজন তাঁর জীবন বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েন। তবে তৃতীয় ব্যক্তিটি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।’’

এদিকে, নেপাল পুলিশের হামলায় ভারতীয়দের জখম হওয়ার ঘটনা ঘিরে তমুল উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে উত্তরপ্রদেশের পিলভিটের ভারত-নেপাল সীমান্তে। ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে নেপাল পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে গোটা বিষয়টি জানার চেষ্টা করছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ প্রশাসন। এমনকী বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিকস্তরেও ভারত জবাবদিহি চাইতে পারে বলে জানা গিয়েছে। গোটা বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে খোঁজ-খবর নেওয়া শুরু করেছে দিল্লি। এব্যাপারে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের সবরকম আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।