নয়াদিল্লি: গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব হল নির্বাচন৷ আর এদেশের নির্বাচনী খরচ তাক লাগিয়ে দিচ্ছে গোটা বিশ্বকে৷ এপ্রিল-মে মাসে সাতদফা ভোটের মাধ্যমে লোকসভা নির্বাচনে যা খরচ হয়েছে তা পৃথিবীর আর কোথাও কখনও নির্বাচনে এত বেশি অর্থ খরচ হয়নি। দিল্লির সেন্টার ফর মিডিয়া স্টাডিজ-এর সমীক্ষায় এমন রিপোর্টই দিচ্ছে৷ ওই সমীক্ষা অনুসারে এবারের লোকসভা ভোটে খরচ হয়েছে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন। ডলারের সাপেক্ষে প্রায় ৮.৭ বিলিয়ন খরচ হয়েছে এই নির্বাচনে।

দেশের ৯০ কোটি ভোটারের সমর্থন পেতে এই পরিমাণ টাকা খরচ করেছে দেশের রাজনৈতিক দলগুলি। এই রিপোর্টে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, একজন ভোটারের কাছে পৌঁছতে খরচ হয়েছে প্রায় ৭০০ টাকার মতো। মোটের উপর দেখা গিয়েছে গড়ে প্রতি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ১ বিলিয়ন টাকা৷‌

সমীক্ষা রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, কোনও কোনও লোকসভা কেন্দ্রে জনসংখ্যা ৩০ লক্ষের কাছাকাছি। সেখানে খরচ আরও বেশি হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়েছিল, প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য ৭০ লক্ষ টাকার বেশি খরচ করা যাবে না। কিন্তু এই হিসেব বলছে প্রার্থীর পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনের প্রচারে যে পরিমাণ অর্থ খরচ করেছে তার হিসেব গিয়ে দাঁড়াচ্ছে এই ৬০০ বিলিয়নে। তিন বছর আগে ২০১৬ সালে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় তাতে খরচ হয়েছিল ৬.৫ বিলিয়ন ডলার।

দিল্লির এই প্রতিষ্ঠানটির সমীক্ষা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, যে হারে এবারের লোকসভা নির্বাচনে খরচ হয়েছে এমন ধারা বজায় থাকলে ৫ বছর বাদে অর্থাৎ ২০২৪ সালে ফের যখন দেশে সাধারণ নির্বাচন হবে তখন খরচের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন দিল্লি সেন্টার ফর মিডিয়া স্টাডিজ-এর চেয়ারম্যান এন ভাস্কর রাও। তাঁর বক্তব্য, ‌দেশের সাধারণ নাগরিককে বুঝতে হবে সমস্ত দুর্নীতির মূলে রয়েছে এই নির্বাচনী খরচ। এই সত্য যতদিন না উপলব্ধি করতে পাচ্ছেন ততদিন দেশে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তিনি৷‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।