ইন্দোর: ‘ভারতীয় অর্থনীতি বর্তমানে বেকারত্বের আগ্নেগিরির উপর দাঁড়িয়ে৷ সৌজন্যে বিজেপি সরকারের জিএসটি ও বিমুদ্রাকরণ৷’ দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে এইভাবেই ব্যাখ্যা করলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম৷ তিনি বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপে কাজের সুযোগ একেবারে তলানিতে৷ বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন৷ তবুও হেলদোল নেই তাদের৷ উলটে বিভিন্ন শহর ও জায়গার নাম বদল করেই আনন্দে রয়েছেন তারা৷’’

জিএসটি, নোটবন্দি ইস্যুতে সরব কংগ্রেস৷ রাফালে নিয়ে যখন মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার রাহুল গান্ধী, তখন জিএসটি, নোটবন্দী নিয়ে মোদী-শাহ জুটিকে আক্রম শানাচ্ছেন দলের বাকি নেতারা৷ এদিন ইন্দোরে চিদম্বরম বলেন, ‘‘বিমুদ্রাকরণের জন্য চাকরির বাজার প্রায় ধ্বংশের মুখে৷ এই পরিস্থিতি শিক্ষিত যুবকদের কাছে অত্যন্ত বেদনার৷ কর্মহীন হয়েছেন বহি মানুষ৷ পরিস্থিতি অত্যন্ত হতাশজনক৷’’ এই অবস্থার জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দায়ী করেন বিজেপি সরকারকে৷

আরও পড়ুন: নির্বাচনের আগে রাজ্যে বড়সড় হামলার ছক মাওবাদীদের

২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল, দেশে কালো টাকা ফেরানো হবে, বছরে দু’লক্ষ মানুষের কর্ম সংস্থান হবে৷ প্রায় পাঁচ বছর সাসন করলেও একটি প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়িত হয়নি কেন? এদিন সেই প্রশ্নই তোলেন কংগ্রেসের এই বর্ষিয়ান নেতা৷ তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান সরকারের পদক্ষেপে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে৷ সেখান থেকে বেড়িয়ে আসারও কোনও লক্ষণই দেকা যাচ্ছে না৷’’

এক দেশ এক কর৷ অভিন্ন কর কাঠামোর লক্ষ্যে ইউপিএ আমলে জিএসটি তৈরি হয়৷ কিন্তু বিরোধীতা করে তা লাগু করতে দেয়নি তৎকালীন বিরোধী বিজেপি৷ যদিও ক্ষমতায় এসে সেই জিএসটি-রই প্রয়োগ করে বিজেপি৷ তবে চিদম্বরমের মতে, ‘‘তাঁর অর্থমন্ত্রীত্বের সময় যে জিএসটি তৈরি হয়েছিল তার কাঠামো এখনকার থেকে পৃথক ছিল৷ ভারতে’র জিএসটি কাঠামো ও প্রয়োগ পদ্ধতির এখন অবুপ্তি ঘটেছে পৃথিবীতে৷’’

আরও পড়ুন: আরাম করে ঘোরার জন্য রথ চালাবে বিজেপি: ফিরহাদ

জিএসটির কর কাঠামো থেকে বিভিন্ন বিভাগের সমালোচনা এদিন শোনা যায় প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর মুখে৷ ১৯শে সরকার বদল হলে জিএসটি কাটামোর বদল করতে হবে বলে মনে করেন তিনি৷ গোটা পরিস্থিতির জন্য গেরুয়া শিবিরকে দায়ী করে চিদম্বরম বলেন, ‘‘জিএসটি ও নোটবন্দি আসলে দেশবাসীর উপর কেন্দ্রের নির্যাতন৷’’

প্রাক্তনের সমালোচনাকে অবশ্য আমল দিতে রাজি নন বর্তমান অর্থমন্ত্রী৷ দেশের উন্নয়ন চোখ বন্ধ করে দেখা যায় না বলে দাবি অরুণ জেটলির৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।