নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি যে ভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছিল তার চেয়েও দ্রুত গতিতে তা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফোর্ড ইকোনমিক্স এমনটাই মনে করছে।

ওই সংস্থার করা সমীক্ষা অনুসারে, বছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে মূল্যবৃদ্ধির গড়‌ ৬ শতাংশের উপরে থাকতে পারে। পাশাপাশি ডিসেম্বর মাসে নয়া রেপো রেট রিজার্ভ ব্যাংক ঘোষণা করতে পারে।

অক্সফোর্ড ইকোনমিক্সের সমীক্ষা জানাচ্ছে, করোনা সংক্রমনের আগে দেশে মূল্য বৃদ্ধির হার যে অবস্থায় ছিল অক্টোবর মাসে আবার সেই অবস্থায়‌ ফিরে এসেছে। তবে এই আর্থিক বছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে তা শীর্ষে পৌছবে। সবজি তরিতরকারি ডিমের দাম অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মূল্য নতুন এক উচ্চতায় গিয়েছে। এমন মূল্যবৃদ্ধি গত সাড়ে ছয় বছরে দেখা যায়নি।

এই সমীক্ষা অনুসারে দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রের পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে তাতে মনে করা হচ্ছে ভারতের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে যতটা সময় লাগবে বলে আশা করা হচ্ছিল ততটা সময় লাগবে না। তাছাড়া অক্সফোর্ড ইকোনমিক্সের পাশাপাশি মুডিজ ইনভেস্টর সার্ভিসের জানিয়েছে, ভারতের জিডিপি এখন বৃদ্ধির দিকে।

প্রসঙ্গত, এই সময় ভারতের অর্থনীতি সম্পর্কে বেশ কয়েকটি সমীক্ষা রিপোর্ট বা পূর্বাভাস রীতিমতো দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। এমনকি এমন কথা শোনা গিয়েছিল বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধির হার ভারতের ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।