নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসকে আটকাতে লকডাউন এবং অন্য়ান্য পদক্ষেপের ফলে ২০২০ সালে ৯.৬ শতাংশ সংকোচন বলে ধরলেও ভারতের অর্থনীতি ২০২১ সালে ৭.৩ হারে বাডতে পারে বলে অনুমান করছে ইউনাইটেড নেশন।

ইউনাইটেড নেশন-এর ইকোনমিক অ্য়ান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ারস দফতরের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক সিচুয়েশন অ্যান্ড প্রসপেক্ট ২০২১ জানিয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতি ২০২০ সালে এক চরম মন্দার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে করোনা মহামারীর জন্য। গত বছর বিশ্ব অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে ৪.৩ শতাংশ, যা ২০০৯ সালের আর্থিক মন্দার তুলনায় আড়াই গুণ। এরফলে মোটামুটি ৪.৭ শতাংশ হারে ঘুরে দাঁড়াতে পারে ২০২০ সালের ক্ষতি কাটিয়ে। এই রিপোর্ট জানাচ্ছে , করোনা মহামারীর ধ্বংসাত্মক আর্থ সামাজিক প্রভাব অনুভব করতে হবে বছরগুলিতে যদি না অর্থনীতি সামাজিক এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতায় বিনিয়োগ হয় , যা নিশ্চয়তা দেবে বলিষ্ঠ টেকসই ভাবে বিশ্ব অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে।

ভারতের অর্থনীতি ২০১৯ সালে বৃদ্ধি পেয়েছিল ৪.৭ শতাংশ, সেটাই আবার ২০২০ ক্য়ালেন্ডার বর্ষে এই মারণ রোগ আটকাতে আর্থিক স্টিমুলাজ প্য়াকেজ থাকলেও লক ডাইন এবং অন্য়ান্য় কারণে ৯.৬ শতাংশ সংকুচিত হবে বলে ধরা হচ্ছে।ভারতের অর্থনীতির বৃদ্ধি সম্পর্কে পূ্র্বাভাস করা হয়েছে ২০২১ সালে ৭.৩ শতাংশ হবে , সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি হওয়া প্রধান অর্থনীতি যার খুব কাছে থাকা দ্বিতীয় চিনের বৃদ্ধি হবে ৭.২ শতাংশ ২০২১ সালে বলে তুলে ধরা হয়েছে ওই রিপোর্টে। আর্থিক বছর অনুসারে এই রিপোর্টে ধরা হয়েছে ভারতের অর্থনীতি নেমে যাবে ৫.৭ শতাংশ ২০২০ সালে আর ঘুরে দাড়িয়ে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি হবে ২০২১ আর্থিক বর্ষে তবে আবার কিছুটা ধীর গতিতে গিয়ে ৫.৬ শতাংশ হবে ২০২২ সালে।

ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, ২০২১ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক বৃদ্ধি পর্যাপ্ত হবে না, তা ২০২০ সালের ক্ষতি সামলে ৬.৯ শতাংশে যাবে যেহেতু মহামারী হটসপটস ফের মাথাচারা দিচ্ছে এবং সরকারের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের চ্য়ালেঞ্জ মোকাবিলার করার ক্ষমতা কমে আসবে। মহামারী এবং দুনিয়াজুড়ে অর্থনৈতিক সংকট দক্ষিণ এশিয়ায় বড় দাগ ফেলেছে, যারা বৃদ্ধির দিক থেকে চ্যাম্পিয়ন তারাই ২০২০ সালে সবচেয়ে খারাপ পারফর্ম করল।

আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ২০২২ সালের জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে ৫.৩ শতাংশ যা দক্ষিণ এশিয়াকে অবশেষে ২০১৯ সালের অর্থনৈতিক উৎপাদন প্রান্তিক ভাবে ছাড়াতে সক্ষম হবে । অন্যভাবে দেখলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি তুলনায় অনেক বেশি বিশ্ব অর্থনীতির মুখাপেক্ষি যেমন বাংলাদেশ মালদ্বীপ অনেকটাই নির্ভর করে বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর আর নেপাল নির্ভরশীল পর্যটনের উপর।ফলে এরা ২০২১ সালে জোরে ঘুরে দাঁড়াবে ১০ শতাংশ।

এপ্রিলের মধ্যে লক ডাউনের ফলে প্রায় ২.৭ বিলিয়ন কর্মীর উপর প্রভাব পড়ে যা গোটা দুনিয়ার মোট শ্রমশক্তির ৮১ শতাংশ।২০২০ মাঝামাঝি সময়ে বেকারের হার বেড়ে গিয়ে একেবারে রেকর্ড অবস্থায় দাঁড়ায়, নাইজেরিয়ায় ২৭ শতাংশ,ভারতে ২৩ শতাংশ এবং কলোম্বিয়ায় ২১ শতাংশ। এই রিপোর্ট তুলে ধরে অতি মহামারী কেমন ভাবে বৈষম্য বাড়িয়েছে এবং সংকটের প্রভাব কেমন পড়েছে অর্থনীতিতে।

রিপোর্ট জানাচ্ছে, অসংগঠিত ক্ষেত্রের ২ বিলিয়ন কর্মী যারা একেবারে সামাজিক নিরাপত্তাবিহীন অবস্থায় কেমন হয়রানির শিকার হচ্ছে বিশেষত যারা অসংগঠিত অর্থনীতিতে স্বনিযুক্ত।ভারত ইন্দোনেশিয়া মেক্সিকোর মতো দেশে অসংগঠিত ক্ষেত্রে রয়েছে ৬০ শতাংশের বেশি কর্মসংস্থান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।