নয়াদিল্লি: সীমান্ত সংঘাতে পিছু হটছে না চিন, জারি ভারতের লড়াই। তারইমাঝে শত্রুদের মোকাবিলায় হাতশক্ত করতে ১০০টি মিসাইলসহ হেরন ড্রোন আনছে ভারতের ডিফেন্স ফোর্স।

ইন্ডিয়া টুডে বিশেষ সূত্রের মাধ্যমে জানতে পেরেছে, “১০০টি হেরন ড্রোন কেনার প্রস্তাব নিয়ে তৈরি হচ্ছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। অপেক্ষা অনুমোদনের। আকাশপথে শত্রুপক্ষকে আরও ধাক্কা দিতে অস্ত্র সম্ভার বাড়িয়ে শক্তি সঞ্চয়ের কাজ চলছে”।

শুধু তাই নয়, ড্রোনগুলি লেসার বম্ব দিয়ে সাজানো থাকবে। অনেকদূর অবধি উড়তে সক্ষম এয়ার টু গ্রাউন্ড মিসাইল এবং অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল, ভারতীয় সেনা পাচ্ছে স্পাইক অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলও।

অনেক বছর থেকেই পেন্ডিং হয়ে আছে এই প্রস্তাব। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের উপর ক্রমাগত আক্রমণ বেড়েছে অনেক দেশের। ফলে আরও প্রতিরক্ষাক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই আশাবাদী সকলে।

আপাতত লাদাখ সেক্টরে হেরন ড্রোন দিয়েই নজরদারি চালাচ্ছে বায়ুসেনা। তবে আরও ড্রোন প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে হেরন ইউএভি কেনার বরাত মিলেছে।

১০ কিমি ওপরে ওড়ার ক্ষমতা সম্পন্ন হেরন টানা দু দিনের বেশি সময় ধরে উড়তে পারে। যে কোনও প্রতিকূল আবহাওয়াতেও কাজ করার ক্ষমতা রাখে হেরন।

এই ইউএভির সশস্ত্র ভার্সন নিয়েও কাজ করতে চাইছে সেনা। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রজেক্ট চিতার আওতাধীন হয়ে এই ড্রোন নিয়ে আসা হবে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় সেনা স্পাইক অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলের বরাত দিতে চাইছে ইজরায়েলকে। এর আগে, ভারতীয় সেনা ১২টি লঞ্চার ও ২০০টি স্পাইক মিসাইল হাতে পায়।

এদিকে, জানা গিয়েছে ড্রোনের ঘাঁটি তৈরি করতে চিন সীমান্তে ৬০ একর জমি নিচ্ছে ভারতীয় সেনা। কুমায়নের পান্তনগরে নেওয়া হচ্ছে সেই জমি। সেখানেই বানানো হবে বেস। এমনটাই সূত্রে জানা যাচ্ছে। যদিও এই সিদ্ধান্ত নতুন নয়।

ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনায় ব্যপকহারে ব্যবহার করা হচ্ছে শক্তিশালী হেরন। টার্গেট অ্যাকুইজিশন ব্যাটারি যথেষ্ট উন্নত মানের। আপাতত লাদাখ সেক্টরে হেরন ড্রোন দিয়েই নজরদারি চালাচ্ছে বায়ুসেনা।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।