মুম্বই: চতুর্থ দফা লকডাউনে নিয়মাবলী কিছুটা শিথিল হলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিকটবর্তী অনুশীলন কেন্দ্রে অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে মরিয়া বিসিসিআই। কিন্তু বাকিরা ফিরলেও প্রাথমিক অবস্থায় ঘরেই কাটাতে হবে অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে তাঁর ডেপুটি রোহিত শর্মাকে।

ভারতবর্ষে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। বিরাট এবং রোহিত দু’জনেই রাজধানী শহর মুম্বইয়ের বাসিন্দা। করোনা সংক্রমণের নিরিখে একেবারে উপরের সারিতে থাকা বাণিজ্য নগরীর ক্ষেত্রে লকডাউনে বিশেষ কোনও শিথিলতা আরোপ করা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য প্রদেশের ক্রিকেটারদের মতো বিরাট-রোহিতের অনুশীলনে ফেরাটা খুব একটা সহজ হবে বলে মনে করেন না বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধূমাল। দু’জনের জন্য বিশেষ কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে কীনা, তা নিয়েও সন্দেহপ্রকাশ করেছেন তিনি।

সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বিসিসিআই কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধূমাল জানান, ‘মুম্বইয়ের পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে কোহলি ও রোহিতের মতো ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ বহাল রাখা হবে।’ লকডাউন পরবর্তী সময় বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ক্রিকেটারদের অনুশীলনের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সে কারণে এনসিএ’কেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধূমাল।

উল্লেখ্য, ১৮ মে থেকে চতুর্থ দফা লকডাউনে শিথিল করা হবে বেশ কিছু নিয়ম। এই সময়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে অনুকূল গাইডলাইন পেলে ক্রিকেটারদের আউটডোর প্রশিক্ষণের ব্যাপারে রোডম্যাপ তৈরি রেখেছে বোর্ড। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছিলেন ধূমাল।

রোডম্যাপের ব্যাপারে বিস্তারিতভাবে ধূমাল বলেন, ‘খেলোয়াড়রা যেহেতু বেশিদূর যেতে পারবে না, তাই তাঁরা আবাসনের কাছাকাছি কোনও মাঠে দক্ষতা প্রশিক্ষণ (নেট সেশন) শুরু করতে পারে কিনা তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিসিসিআই সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে। অর্থাৎ আমাদের পোস্ট-লকডাউন পর্বে খেলোয়াড়দের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে।’

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প