ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : দেশীয় কোম্পানিগুলি ২০২১ সালে কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমন সুখবরই জানাচ্ছে গ্লোবাল হিউম্যান রিসোর্স কনসালটেন্সি এঅন। ২০২০ সালের তুলনায় পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে কর্মীরা ভালো বেতন বৃদ্ধির মুখ দেখবেন, এমনই খবর জানাচ্ছে এঅন।

এঅনের সমীক্ষা জানাচ্ছে বর্তমানে কোম্পানিগুলি যে হারে কাজ করে চলেছে, সেই অর্থে বেতন বৃদ্ধি হয়নি কর্মীদের। বাজারে চাহিদা ও সরবরাহ থাকলেও আর্থিক মন্দার জেরে কিছুটা ক্ষতির মুখই দেখতে হচ্ছে আপাতত। তবে সেই সংকট কেটে যাবে ২০২১ সালে বলে মনে করা হচ্ছে।

ই-কমার্স, শক্তি ক্ষেত্র, বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্থা ও ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরে ২০২১ সালে কর্মীরা সন্তোষজনক বেতনবৃদ্ধির মুখ দেখবেন বলে জানাচ্ছে সংস্থা। ২০২১ সালে মনে করা হচ্ছে গড়ে ৭.৩ শতাংশ হারে বাড়তে পারে কর্মীদের বেতন।

২০২০ সালে বেশিরভাগ সেক্টরেই বেতন বৃদ্ধি হয়নি। একটানা লকডাউনের জেরে আর্থিক মন্দার কারণ দেখিয়ে বার্ষিক বৃদ্ধি করা হয় গড়ে ৬.১ শতাংশ। যা গত ১৪ বছরে সবনিম্ন বলে জানা গিয়েছে। ২০টি সেক্টরের ১,০৫০টি কোম্পানির ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এই ফল প্রকাশ করেছে এঅন।

অর্থনৈতিক গবেষকদের দাবি ২০২০ সালে যেখানে ৭১ শতাংশ কোম্পানি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির কথা ভেবেছিল, সেখানে ২০২১ সালে কমপক্ষে ৮৭ শতাংশ কোম্পানি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির পথে হাঁটবে। ২০২০ সালে যেখানে ৪৭ শতাংশ কর্মী ৮ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করেছিল, সেখানে সংখ্যাটা বেশ বাড়বে ২০২১ সালে।

লকডাউন চলাকালীন দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস জানিয়ে দেয়, আপাতত তাদের সংস্থায় বেতন বৃদ্ধি এবং পদোন্নতি হচ্ছে না।

তবে পাশাপাশি এই তথ্য প্রযুক্তির সংস্থাটি জানায়, নতুন নিয়োগ করার জন্য যাদের অফার দেওয়া হয়েছিল তা পূরণ করা হবে। ইনফোসিস জানায়, মার্চের শেষ ত্রৈমাসিকে এই‌ সংস্থার নিট মুনাফা ৬.৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪৩৫৫. কোটি টাকা।

পাশাপাশি এই অতি মহামারীর জনিত কারণে যে অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছে তার প্রেক্ষিতে এই সংস্থা আপাতত ২১ অর্থ বর্ষের জন্য কতটা আয় করতে পারবে সেটা ধারণা করতে পারছে না। ফলে ২০২০ সালের জন্য স্থগিত হয়ে যায় এই সংস্থার কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।