নয়াদিল্লি: চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর। বড়সড় বেতনবৃদ্ধির পথে হাঁটতে পারে ভারতীয় একাধিক সংস্থা। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে ভারতে সংস্থাগুলিতে ২০২১ সালে ৭.৭ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রিক (BRIC) দেশগুলির মধ্যে এটি অন্যতম সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধি। ২০২০ সালের গড় বৃদ্ধির তুলনায় এর হার ৬.১ শতাংশ বেশি। গ্লোবাল প্রফেশনাল সার্ভিস ফার্ম Aon Plc তার সর্বশেষ ভারতে বেতন বৃদ্ধি সমীক্ষা থেকে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

Aon-এর সিইও নীতীন শেঠি বলেছেন, “আমরা আশা করছি সংস্থাগুলি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে তাদের ক্ষতিপূরণ বাজেট পর্যালোচনা করবে। এরপর যখন শ্রম সংস্থাগুলির সঠিক আর্থিক প্রভাব সম্পর্কে জানা যাবে। বেতন বৃদ্ধির কিছু অংশ কর্মীদের জন্য ক্যাশ-ইন-হ্যান্ড নাও হতে পারে। সংস্থাগুলি সম্ভবত প্রভিডেন্ট ফান্ড বাড়িয়ে দিতে পারে।” সমীক্ষা অনুসারে ৮৮ শতাংশ রিপোর্টে জানা গিয়েছে ২০২২ সালে বেতন বাড়ানোর চিন্তা করবে সংস্থাগুলি। ২০২০ সালের ৭৫ শতাংশ সংস্থার তুলনায় এটি অনেকটাই ইতিবাচক। সমীক্ষায় ২০ টিরও বেশি শিল্পের ১ হাজার ২০০টি কোম্পানির ডেটা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

নীতীন শেঠি এও জানিয়েছেন যে নতুন শ্রম আইনের আওতায় বেতনের প্রস্তাবিত সংজ্ঞা গ্র্যাচুইটি, লেভ এনক্যাশমেন্ট এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের মতো বেনিফিট পরিকল্পনাগুলির জন্য লাভজনক হতে পারে। সমীক্ষা অনুযায়ী, সর্বাধিক প্রত্যাশিত বৃদ্ধি হতে পারে ই-কমার্স এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটল, হাই-টেক / তথ্য প্রযুক্তি, ITeS, জীবন বিজ্ঞান সেক্টরে। অন্যদিকে সর্বনিম্ন বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে হসপিটালিটি / রেস্তোঁরা, রিয়েল এস্টেট / পরিকাঠামো, ইঞ্জিনিয়ারিং পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত সেক্টরে।

এদিকে সরকারি চাকরি ক্ষেত্রেও এসেছে সুখবর। সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে সরকারি কর্মীদের ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি হতে পারে বলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষত এবারের সাধারণ বাজেট পেশের পর সর্বভারতীয় উপভোক্তা মূল্যসূচক ঘোষণার পর।এরা সকলেই তাকিয়ে রয়েছে ডিয়ারনেস আল্যায়েন্স(ডিএ) এবং ডিয়ারনেস রিলিফ(ডি আর) এবং এই সংক্রান্ত বকেয়া নিয়ে‌ মোদী সরকারের বড় ঘোষণার দিকে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ইতিমধ্যেই খবর হয়েছে মোদী সরকার ৪ শতাংশ পর্যন্ত মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করতে পারেন। তার ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতন কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা খুশি হওয়ার পাশাপাশি ৬১ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর হতে পারে ডিয়ারনেস রিলিফ(ডি আর) ঘোষণার মাধ্যমে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।