আগরতলা: করোনাভাইরা আক্রান্ত সন্দেহে ভারতীয়কে  আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট আখাউড়া থেকে ফেরত পাঠাল বাংলাদেশ অভিবাসন বিভাগ। ওই ব্যক্তির নাম সুভাষ সরকার। তিনি ত্রিপুরার বাসিন্দা।

জানা গিয়েছে, আগরতলার  মধ্য ভুবন বন এলাকার বাসিন্দা সুভাষ। তার পিতার নান শরৎ সরকার। ভিসা নিয়ে তিনি বাংলাদেশেরর সিলেটে যাচ্ছিলেন। সেখানকার লখাই উপজেলায় তাঁর আত্মীয় থাকেন।

এর আগে ত্রিপুরার বাসিন্দা এক ব্যক্তির করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয় সুদূর মালয়েশিয়ায়। সেই ঘটনার পর বাংলাদেশ সীমান্তে এই প্রথম করোনা আক্রান্ত সন্দেহে একজনের সন্ধান মিলল।

মঙ্গলবার আখাউড়া সীমান্তের বাংলাদেশ অভিবাসন বিভাগের কর্মীরা তার দেহে নিয়ম মাফিক পরীক্ষা চালান। তখনই দেখা যায় সুভাষ সরকারের দেহের তাপমাত্রা বেশি। 

এরপরে বাংলাদেশ অভিবাসন বিভাগ সুভাষ সরকারকে মাস্ক পরিয়ে দেয়। নো-ম্যানস ল্যান্ড থেকেই ভারতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এদিকে ভারতের অভিবাসনকর্মীরাও দ্রুত সুভাষ সরকারের পরীক্ষা শুরু করেন। 

জানা গিয়েছে তাঁর দেহের তাপমাত্রা অত্যাধক বেশি। এটি সাধারণ জ্বর হতে পারে। আর করোনা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণ হল সাধারণ জ্বর। ফলে দ্রুত সুভাষ সরকারের চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।