নয়াদিল্লি: সেনাবাহিনীর কর্মদক্ষতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষমতা পরীক্ষা করতে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও প্রতিরক্ষা দফতর।

এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে অন্যতম কারণ ফিল্ডে থাকা সেনার সংখ্যা ও হেডকোয়ার্টারে থাকা সেনার সংখ্যার মধ্যে একটা সামঞ্জস্য তৈরি করা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ -এর জানুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে ৫০,৩১২ জন সদস্যের হিসেব রয়েছে। অথচ, ৭,৩৯৯ জন সেনা কম হয়ে যাচ্ছিল কারণ কেবল মাত্র ৪২,৯১৩ জন সেনা সার্ভিসে মোতায়েন ছিল। ২০৬ সেনা অফিসারকে হেডকোয়ার্টার থেকে পাঠানো হচ্ছে ফিল্ডে।

সেনা অফিসারদের ফিল্ডে মোতায়েন করার পাশাপাশি, নতুন একটি ভিজিলেন্স সেল তৈরি হবে। সেখানে আর্মির পাশাপাশি বাকি দুই বাহিনী এয়ার ফোর্স ও নেভির সদস্যরাও থাকবেন।

এই প্রক্রিয়াতে একজন এডিজি ভিজিলেন্স যিনি আর্মি চিফের নিয়ন্ত্রনে কাজ করবেন এবং তিন জন কর্নেল লেভেল অফিসার থাকবেন এই বিভাগে (একজন আর্মি, একজন নেভি ও এয়ার ফোর্স থেকে) যারা এই প্রক্রিয়াতে সংযোগ সাধন করবেন।

এই উদ্যোগের ফলে যে কোনও সিদ্ধান্ত খুব দ্রুততার সঙ্গে নেওয়া সম্ভব হবে এবং কেন্দ্র থেকে সম্পূর্ণভাবে নজরদারি রাখাও সম্ভব হবে। এছাড়াও, ভাইস চিফ অফ আর্মির নির্দেশে মানবাধিকার সংগঠন ও তৈরি করা হবে যা একজন এডিজির নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

এই সংগঠনের কাজ হবে যে কোনোরকম সংঘর্ষ ও সেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা এবং দরকার পড়লে তদন্তকারী অফিসারদের সাহায্য নেওয়া। এসপি বা সিনিয়র এসপি স্থানীয় পদমর্যাদার কোনও অফিসার থাকবেন এই ক্ষেত্রে বলে জানা যাচ্ছে। আর্মি হেড কোয়ার্টারের এই রিপোর্ট দেখে রাজনাথ সিং।