শ্রীনগর : ভারতীয় সেনার বড়সড় সাফল্য। জম্মু কাশ্মীরের বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র। এর মধ্যে যেমন রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, তেমনই রয়েছে অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম।

শ্রীনগরের ১৫ কর্পসের আধিকারিক জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তল্লাশি শুরু করে সেনা। বারামুল্লার উরি সেক্টরের ময়দান নালায় তল্লাশি শুরু হয়। মঙ্গলবার রাতে এই গোপন তল্লাশি চলে বলে খবর। সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে ৩এক্স একে ৫৬ রাইফেল, ২এক্স পিস্তল, সাথে ম্যাগাজিন ও আরও আগ্নেয়াস্ত্র।

জম্মু কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, এই আগ্নেয়াস্ত্র কোনও জঙ্গি গোষ্ঠীর। এই আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েই বড়সড় নাশকতার ছক করা হচ্ছিল বলে খবর। তদন্ত চলছে। এদিকে, মঙ্গলবারই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তইবার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেথে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ। উত্তর কাশ্মীরের সোপোর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে মঙ্গলবারই সেনা জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছেন এক জওয়ান, আহত হয়েছেন আরও অপর ২ জন। পুলিশ জানাচ্ছে, এনকাউন্টারে নিকেশ করা হয়েছে এক জঙ্গিকেও। কাশ্মীরের পুলওয়ামায় চলছে এই এনকাউন্টার।

পুলিশ সূত্রে খবর মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫ টা নাগাদ সিআরপিএফ ১৮৩ ব্যাটেলিয়ান, আর্মির রাষ্ট্রীয় রাইফেলস ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশ এই অপারেশন শুরু করে। জানা গিয়েছে, এক জওয়ান ও এক পুলিশ সদস্য জঙ্গিদের ছোঁড়া গুলিতে আহতও হয়েছেন।

পর পর দুটি পোস্টে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, পুলওয়ামার গোসু এলাকায় এনকাউন্টার চলছে। পরের পোস্টে জঙ্গি নিকেশ হওয়ার খবর জানা যায়।

এর আগে রবিবার জম্মু কাশ্মীরের কুলগামে তল্লাশি চালিয়ে দুই জঙ্গিকে খতম করে সেনা। প্রথম জঙ্গিকে নিকেশ করার পরে ফের তল্লাশি শুরু করে সেনা। দ্বিতীয় জঙ্গির পরিবারের লোকেরা আত্মসমর্পণের অনুরোধ করলেও, সে শোনেনি। পরে তাকেও সেনার গুলিতে প্রাণ হারাতে হয় বলে খবর।

লাদাখে চিনের সঙ্গে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে সংঘর্ষের মাঝেই পাকিস্তানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমানায় নজরদারি বাড়িয়েছে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। পাকিস্তানকে রুখতে বদ্ধপরিকর বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স।

জানা গিয়েছে, লাদাখ জুড়ে চিন সীমান্তের গা ঘেঁষে উড়েছে মিগ-২৯ ফাইটার জেট, অ্যাপাচে অ্যাটাক হেলিকপ্টার। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই বায়ুসেনার এই টহলদারি বলে জানা গিয়েছে।

ভারতীয় বায়ুসেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ রাঠি জানান, এইরকম নাইট অপারেশন করতে প্রস্তুত বায়ুসেনা। বায়ুসেনার পাইলটরাও পুরোপুরিভাবে তৈরি। অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রও তৈরি। এদিকে, সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে সি-১৭ গ্লোবমাস্টার ৩ এয়ারক্রাফটবাহী গাড়ি, সি-১০৩ জে সুপার হারকিউলিস যাতে ভারি ভারি সামরিক অস্ত্র বহন করা সম্ভব হয়। সেনা ছাউনির কাছে তা রাখা হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ