লখনউ: এবার সৌরশক্তিতে চলবে রেফ্রিজেরেটর৷ এমনই এক পোর্টেবল রেফ্রিজেরেশন কার্ট তৈরি হল আইআইটি কানপুরের The Refrigeration and Air Conditioning Laboratory-তে৷ তবে এর পিছনে যিনি মূল ভূমিকায় রয়েছেন তিনি একজন ভারতীয় সেনা আধিকারিক, যাঁকে এই কাজে সাহায্য করেছে আইআইটির বিজ্ঞানীরা৷

আরও পড়ুন: সরকারি চাকরি না খুঁজে পানের দোকান খুলুন: মুখ্যমন্ত্রী

জানা গিয়েছে, এই প্রোটোটাইপটি তৈরি করেছেন লেফট্যানেন্ট কর্ণেল অখিল সিং চরক এবং তাঁকে এই কাজে সাহায্য করেছেন, ল্যাবরেটরি কোঅর্ডিনেটর অধ্যাপক সমীর খান্ডেকর, এবং টেকনিক্যাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট চন্দ্র শেখর গোস্বামী৷

সোলার ফটো ভোলটেইক শক্তির ওপর চলবে এই স্মার্ট কার্ট৷ এর মধ্যেই রয়েছে রেফ্রিজেরেশন সিস্টেম, যা বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হতে পারে৷ শক্তি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে তেমনই খাদ্য সংরক্ষণেও একে কাজে লাগানো যেতে পারে৷ পাশাপাশি ই-রিকশাতেও একে ব্যবহার করা যেতে পারে৷ পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য-ক্ষেত্রে এর ব্যবহারে অনেক সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে৷

আরও পড়ুন: মদের উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে বিক্ষুব্ধদের রোষে বিজেপি মন্ত্রী

এই মোবাইল ঠেলার শক্তি সংরক্ষণে ব্যাটারি রয়েছে এর মধ্যে৷ যখন সৌরশক্তি পাওয়া যাবে না তখন এই ব্যাটারিতে সংরক্ষিত শক্তিকে কাজ করবে৷ সরাসরি সৌরকিরণের হাত থেকে এই রেফ্রিজেরেটরকে রক্ষা করতে রয়েছে সোলার প্যানেল, যা এই মোবাইল ঠেলা ব্যবহারকারীরও কাজে আসবে৷ এমনভাবে এই প্যানেলগুলিকে রাখা হয়েছে যাতে সৌরশক্তি সঞ্চিত হতে পারে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে৷ ২৪০ লিটারের এই রেফ্রিজেরেটরের ব্যাটারি ব্যাক আপ ২৪ ঘন্টারও বেশি৷

টেকনিক্যাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট চন্দ্র শেখর গোস্বামী জানিয়েছেন, প্রথম ভাগে বিভিন্ন আবহাওয়ায় এই কার্টটি পরীক্ষা করা হয়েছে৷ আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে একে ব্যবহারযোগ্য করার চেষ্টা চলছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.