ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: বর্তমান পরিস্থিতিতে যে কোনও চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত ভারতীয় সেনা, শুক্রবার এই কথাই ফের একবার স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হল ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে৷ বৃহস্পতিবার ভারত সফরে এসে ভারতের সেনাপ্রধানের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন সেনা কমান্ডার (US Special Operations Command) জেনারেল রেমন্ড থমাস৷ আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সেই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদে পাক মদত, তাঁদের আলোচনায় এই বিষয়গুলি উঠে আসে৷

পাশাপাশি প্রযুক্তি এবং সামরিক প্রয়োজনীয়তা, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা চলে বলে জানা যায়৷ প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পাক অধিকৃত বালাকোটে ভারতের এয়ারস্ট্রাইকের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে বহু দেশ৷ সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারতের পাশে দাঁড়ায় আমেরিকাও৷ শুক্রবারই, সন্ত্রাসবাদ দমনে পাকিস্তানকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে ফের আবেদন করে আমেরিকা৷

মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের উপমুখপাত্র রবার্ট পালাডিনো বলেন, পাকিস্তানের কাছে এই অনুরোধ করা হবে যাতে সে বারবার এবং স্থায়ীভাবে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং ভবিষ্যতে যে কোনও হামলা হওয়াকে রুখে দেওয়া যেতে পারে৷

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই চাপের মুখে পড়ে, ঘরের মাটিতে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হচ্ছে ইমরান খান সরকার। পাকিস্তানের মাটিতে থাকা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জোর দমনাভিযান শুরু করেছে ইমরান সরকার। ১৮২ টি মাদ্রাসা বাজেয়াপ্ত করাসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত দলগুলোর ১০০ বেশি জনকে গ্রেফতার করেছে পাকিস্তান প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্দেশে পাকিস্তানের মাটিতে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়েছে বলে দাবি সে দেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমের।

তবে এসবের পাশাপাশি, সীমান্তে পাক সেনার গোলাবর্ষণ অব্যাহত৷ তার যোগ্য জবাবও দিচ্ছে ভারতীয় জওয়ানরা৷ পাশাপাশি আকাশ এবং সমুদ্রপথেও শত্রু মোকাবিলায় যে ভারত প্রস্তুত সে কথাও স্পষ্ট জানিয়েছে ভারতের তিন সেনাপ্রধান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।