নয়াদিল্লি:  দেশের ইতিহাসে সবথেকে বড় জঙ্গি হামলা। ভয়ঙ্কর এই হামলায় ৪০ জনেরও বেশি সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তবে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনায় গর্জে উঠেছে গোটা দেশ। যে কোনও মূল্যে পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার দাবি উঠেছে সর্বত্র।

এমনকি ফের সার্জিকাল স্ট্রাইক চালানোরও দাবি উঠছে। এই ঘটনার জন্যে যে পাকিস্তানকে চরম মূল্য দিতে হবে সেই ইঙ্গিত ইতিমধ্যে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এরপরেই বদলা নেওয়ার জন্যে ভারতীয় সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর।

এক হিন্দি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, এরপরেই পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দেওয়া শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। পুঞ্চ সেক্টরে সীমান্তের ওপারে থাকা পাকিস্তান সেনা ছাউনি টার্গেট করে হেভি শেলিং শুরু করেছে। যদিও ওই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক প্রথমে পাকিস্তানের তরফেই প্রথম গুলি চলে।

আর এরপরেই ভারতীয় সেনার তরফে কার্যত একেবারে খোলা হাতে পাকিস্তান সেনাকে জবাব দেওয়া হয় বলে ওই সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়। শুধু তাই নয়, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, ভারতীয় সেনার প্রত্যাঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পাকিস্তানের মাটিতে। পাক-রেঞ্জার্সের একাধিক ছাউনি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে সংবাদমাধ্যমে।

প্রসঙ্গত, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পুরোদমে ‘অপারেশন অল আউট’এ নামার আগে সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে৷ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কবে, কখন ও কীরকম অভিযান চালানো হবে তা ঠিক করবে সেনা৷ একটি অনুষ্ঠানে এসে এমনটাই জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ বলেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারতীয় সেনাকে পুরো স্বাধীনতা দেওয়া হল৷ কী কায়দায় জবাব দেওয়া হবে তা ঠিক করবে নিরাপত্তা বাহিনী।

উল্লেখ্য, ভয়াবহ জঙ্গি হামলার কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ট্যুইটে লেখেন, ‘পুলওয়ামায় সিআরপিএফের উওর হামলা নিন্দনীয়। আমাদের সাহসী জওয়ানদের এই বলিদান ব্যর্থ হবে না। শহিদ পরিবারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে গোটা দেশ। আহত জওয়ানদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি। এই টুইটে হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী। আর এরপরেই এদিনের এই জবাব ভারতীয় সেনার। যদিও ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি৷ ভারতীয় সেনার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে৷