গ্যাংটক : করোনা আবহে এবার উত্তপ্ত ভারত-চিন সীমান্ত সম্পর্ক। উত্তর সিকিম সীমান্তে প্রায় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছল দুদেশের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ। শনিবার নাকু লা সেক্টরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ভারতীয় সেনা ও চিনা সেনার জওয়ানরা। উল্লেখ্য এই এলাকায় সড়ক পরিবহণ নেই। হেলিকপ্টারে করে এর যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখে ভারতীয় সেনা।

শনিবার নাকু লা সেক্টরে আচমকাই কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন দুদেশের জওয়ানরা। জি নিউজের সূত্র জানাচ্ছে দুদেশই সীমান্ত বরাবর পেট্রোলিং চালাচ্ছিল। সেই সময় বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা রীতিমতো হাতাহাতিতে পৌঁছয়। দুপক্ষেরই কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। পরে গোটা ঘটনার মীমাংসা হয়।

সেনা সূত্রে খবর নাকু লা সেক্টরে সাধারণত কোনও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে না। মুগুথাং এলাকার কাছে অবস্থিত এই সেক্টর মোটামুটিভাবে শান্তিপূর্ণ। তবে আচমকাই এই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুদেশের জওয়ানরা। বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, পয়লা মে মুখোমুখি হয়নি ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী।প্রথা মেনে প্রত্যেকবার ১ মে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের মুখোমুখি হয় ভারত ও চিনের সেনা। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রত্যেকবার মুখোমুখি হয় তারা। কিন্তু এবার সম্ভবত করোনা মহামারীর জেরেই বাধা পড়েছে সেই প্রথায়। প্রত্যেকবারই লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোলে হয় বোর্ডের পার্সোনাল মিটিং বা বিপিএম।

সীমান্তে ৫টি পয়েন্টে এই মিটিং হয়। সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা চিনের তরফ থেকে কোনও আমন্ত্রণ আসেনি। ভারতও হটলাইনে শুভেচ্ছা জানাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাধারণত যে পয়েন্টগুলোতে এই মিটিং হয় তা হল দৌলত বেগ ওল্ডি, লাদাখের চুসুল, অরুণাচলের বাম লা ও কিবিথু। এছাড়া রয়েছে সিকিমের নাথুলা।

দুই সেনাবাহিনীর মধ্যে একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বার্তা হয় এই মিটিংয়ে। কোনও সংঘাত কিংবা স্থানীয় কোনও ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয় পরস্পরের সঙ্গে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।