নয়াদিল্লি: সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে প্রথম থেকেই পাকিস্তানকে বারবার সতর্ক করেছে ভারত সহ অন্যান্য দেশ৷ পুলওয়ামাকাণ্ডের পর আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও কোণঠাসা হয়ে পড়ে পাকিস্তান৷

জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের আগে থেকেই উপত্যকায় সেনা মোতায়েন নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত জানিয়েছিলেন, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ, এর জন্য দুশ্চিন্তার কিছু নেই৷

 

তিনি বলেন, ১৯৭০ এবং ৮০-র দশকেও কাশ্মীরে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল৷ সেসময়ও কাশ্মীরবাসীর সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল৷ অস্ত্র ছাড়াই সেসনয় দেখা-সাক্ষাৎ করা হত, এবং এই পরিস্থিতি যদি ফের ফিরে আসে তা সত্যিই ভালো বিষয় হবে৷

৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাশ্মীরে ইদ পালনের পরই এমন মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান৷ তবে এই ধারা বিলোপের পর পাকিস্তান মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় সেনা সতর্কতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷ সোমবার উপত্যকার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন নর্দার্ন আর্মি কমান্ডার লেফট্যানেন্ট জেনারেল রণবীর সিং৷

 

প্রসঙ্গত, ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে। জঙ্গি অনুপ্রবেশ থেকে শুরু করে ভারতীয় সেনা ছাউনি টার্গেট করে শেলিং করা। শুধু তাই নয়, সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিকে বারবার টার্গেট করছে পাকিস্তান সেনা। যার ফলে সেই সমস্ত এলাকাগুলিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হচ্ছে। আর তাই এবার সীমান্ত এলাকায় থাকা গ্রামের মানুষকে বাঁচাতে পাঁচিল দেওয়ার ভাবনা বিএসএফের।

সীমান্তে প্রায় ১০ মিটার উঁচু একটি পাঁচিল তৈরির ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। মনে করা হচ্ছে এর ফলে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজুবুত হবে। সহজেই জঙ্গি-অনুপ্রবেশ কিংবা পাকিস্তান বাহিনীর যে কোনও প্ররোচনা রুখে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সেনা আধিকারিকরা।