জয়পুরঃ  প্রায় তিন মাস হয়ে গিয়েছে ভারতের হাতে চলে এসেছে মার্কিন কামান M-777। এবার তা হাতে কলমে পরীক্ষা করার জন্যে রাজস্থানের মরুভূমিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ফায়ারিং করে পরীক্ষা করা হবে মার্কিন এই কামান। তিন মাস ধরে চলবে এই পরীক্ষা। ইতিমধ্যে পোখরানের ফায়ারিং টেবিলে রাখা হয়েছে এই কামান। চলছে পরীক্ষা। কামানের পরীক্ষায় উপস্থিত রয়েছে ভারতীয় সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এমনকি আছেন এই কামানের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা অর্থাৎ মার্কিন ইঞ্জিনিয়াররা। কীভাবে উত্তেজনা মুহূর্তে এই কামান ব্যবহার করা যাবে, কীভাবে কাজ করবে। হঠাত সমস্যা হলে দ্রুত কীভাবে সমাধান করা যাবে সমস্ত কিছু সেনা আধিকারিক এবং ইঞ্জিনিয়ারদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন মার্কিন ইঞ্জিনিয়াররা।

দেখুন এই ভিডিও-

বোফর্স কেলেঙ্কারির পর এই প্রথম ভারতীয় সেনার হাতে আসে এই কামান। গত ১৮ মে দুটি কামান আমেরিকা থেকে ভারতে আনা হয়েছে।

এই দুটি কামানই 25 রেডি-বিল্ট অস্ত্রের অংশ৷ যা আগামী দুই বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরবরাহ করবে৷ আগামী ২০২১-র মধ্যে মোট ১৪৫টি কামান নিয়ে আসা হবে আমেরিকা থেকে৷ প্রথম ২৫টি আমেরিকা থেকে আনা হলেও বাকি ১২০টি কামান তৈরি হবে ভারতে৷ মোদী সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের অধীনে এই কামান গুলি তৈরি হবে৷ BAE সিস্টেমের অধীনে মাহিন্দ্রা ডিফেন্সের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এই কামানগুলি তৈরি হবে৷ ৪০টি ভারতীয় সংস্থার উদ্যোগে এই কামানগুলি তৈরি করা হবে৷

চিনের সীমান্তে মোতায়েন করা মাউন্টেন স্ট্রাইক কর্পসের ব্যবহারের জন্য মূলত আনা হচ্ছে এগুলি৷ ২০২৫ সালের মধ্যে সরকার প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করবে এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে৷ M777 হালকা কামানটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলে স্থাপন করা হবে৷ হালকা কামানগুলির ওজন মাত্র ৪,২১৮ কেজি৷ লাদাখ কিংবা কার্গিলের মতন অতি উচ্চতায় যে যুদ্ধক্ষেত্রগুলি অবস্থিত সেখানে হেলিকপ্টারে কামানগুলিকে নিয়ে গিয়ে মোতায়েন করা হবে৷ M777 হালকা কামানটি টাইটেনিয়াম এবং অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ