লাদাখে সত্যিই মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী। শুক্রবার নিশ্চিত করে একথা সাফ জানিয়ে দেয় কেন্দ্র। ১৫ অগাস্ট প্যাংগং লেকের ওই ঘটনাকে ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। চিনের তরফে বলা হয়েছিল, এমন কোনও ঘটনার খবর তাদের জানা নেই। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মুখপাত্র রবিশ কুমার বলেন, ‘১৫ অগাস্ট প্যাংগং তোসোতে ওই সংঘর্ষ হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা সীমান্তের শান্তি আরও বেশি বিঘ্নিত করছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এহেন বক্তব্যের ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রকাশ্যে এল লাদাখে চিন ভারতীয় সেনার মধ্যে ‘ভয়ঙ্কর’ মারপিটের ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে হ্রদের ধারে চিনা সেনাবাহিনী এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর মধ্যে চলছে ভয়ঙ্কর হাতাহাতির ভিডিও। কার্যত একে-অপরকে লক্ষ্য করে চলছে ইটবৃষ্টি। শুধু তাই নয়, একেবারে মাটিতে ফেলে চলছে মারপিট।

দেখুন এই ভিডিও-

১৫ অগাস্ট অর্থাৎ গত মঙ্গলবার লাদাখে ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের খবর প্রকাশ্যে আসে। শোনা যায় ওইদিন সকাল ৬ টা ও ৯ টা নাগাদ মোট দু’বার চিনা সেনা ফিঙ্গার ফোর এরিয়া পর্যন্ত এগিয়ে এসেছিল। এই অঞ্চলটি তারা নিজেদের বলে দাবি করে৷ এদিকে ভারতও দাবি, এটি চিনের নয়৷ এই নিয়ে দুই দেশের বিরোধ নতুন কিছু নয়৷ সেনা সূত্রে খবর, চিনা বাহিনী জোর করে ঢোকার চেষ্টা করলে ভারতীয় জওয়ানরা মানবপ্রাচীর তৈরি করে৷ বাধা দেওয়া হয়৷ সেই বাধা টপকে ফের ঢোকার চেষ্টা করলে প্রথমে দুই দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে শুরু হয় জোর ধস্তাধস্তি৷ ভারতীয় জওয়ানদের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে পিছু হটে চিনের ফৌজ৷ এরপরেই ভারতীয় জওয়ানদের লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে শুরু করে৷পাল্টা জবাব দেয় ভারতও৷ বেশ কিছুক্ষণ ধরে পাথর ছোঁড়াছুড়ি ফলে আহত হয় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন৷ তবে পরিস্থিতি বেগতিক হওয়ার আগেই দু’পক্ষই নিয়মমাফিক ব্যানার ড্রিল করে ৷নিজ নিজ জায়গায় ফিরে যায়৷ চিন এই ঘটনার কথা জানে না বলে উল্লেখ করে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।