নয়াদিল্লি  আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা।  American F-16 কিংবা Swedish Saab Gripen যুদ্ধবিমান হাতে আসছে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে। তবে এর আগে দুটি বিমানই পরীক্ষা করে দেখবেন বায়ুসেনার আধিকারিকরা। এরপর যে কোনও একটি বেছে নেওয়া হবে ভারতীয় বায়ুসেনার জন্যে। তবে দুটি বিমান যুদ্ধ এবং বোম্বিং করতে পারে। তা সত্যেও এর মধ্যে যে কোনও একটি বেছে নেওয়া হবে বায়ুসেনার জন্যে। এরপর মোদীর মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রজেক্টে দেশীয় সংস্থার সঙ্গে যৌথ ভাবে সুইডিস কিংবা আমেরিকার কোনও সংস্থা এই বিমানগুলি তৈরি করবে ভারতেই। ১২০ টি অত্যাধুনিক এই ফাইটার জেট আসবে সেনার হাতে।

আর এজন্যে ইতিমধ্যে ১.৩ লক্ষ কোটি টাকা ইতিমধ্যে ধার্জ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও বায়ুসেনা সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকার দুটি যুদ্ধবিমানকেই বায়ুসেনার হাতে তুলে দিতে চায়। ফলে, এখন সবকিছু নিয়েই চিন্তাভাবনা চালাচ্ছে কেন্দ্র। প্রসঙ্গত, এর আগেই এহেন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ও যুদ্ধবিমান দু’টিকে নানা কঠিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল।

তবে সেই সময় ভারতের দরকার ছিল ১২৬টি মিডিয়াম মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট। কিন্তু সেই সময় এফ-১৬ বা সুইডিশ ‘সাব গ্রিপেন’ যুদ্ধবিমানকে বেছে নেওয়া যায়নি। কারণ সেগুলিতে আধুনিক রাডার ব্যবস্থা ছিল না। ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে’ সেই সময় বায়ুসেনার বিমানে থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু এবার বিদেশি সংস্থাগুলি ভারতীয় বায়ুসেনার সমস্ত দাবি-দাওয়া মেনে যুদ্ধবিমানে এমন কিছু প্রযুক্তি যোগ করেছে, যা কখনও আকাশে যুদ্ধের সময় ব্যবহার করেনি ভারত।  তাই এখন ভারতের চোখ এই দুটি যুদ্ধবিমানের দিকেই রয়েছে। তবে দুটি বিমানকে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করে দেখবে ভারতীয় বায়ুসেনার আধিকারিকরা। আর এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে প্রায় ১ বছর লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এর আগেই যুদ্ধবিমান দুটির পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পন্ন করে ফেলা হবে বলে ঠিক হয়েছে বলে ইন্ডিয়া টুডে’তে এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.