নয়াদিল্লি : পাকিস্তানের ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে রবিবার জরুরি অবতরণ করল ভারতীয় বিমান। ভারতের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় এদিন। জ্বালানি ভরার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি (Indian air ambulance) ইসলামাবাদ এয়ারপোর্টে নামে।

পাকিস্তানের নিউজ চ্যানেল দুনিয়া নিউজ জানায়, এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি পাকিস্তানের সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি বা সিএএ-র সঙ্গে যোগাযোগ করে। জানায়, তাদের জরুরি অবতরণ (emergency landing) করতে হবে। কারণ জ্বালানি প্রায় শেষ। এই ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন একজন ব্রিটিশ রোগী, চিকিৎসক ও দুজন নার্স। দমদম বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি যাচ্ছিল তাজাকস্তানের রাজধানী দুশানবেতে। এরপর মাঝ আকাশেই দেখা যায় জ্বালানি প্রায় শেষের পথে। রীতিমত সমস্যায় পড়তে হয় বিমান চালকদের। বাধ্য হয়ে ইসলামাবাদ এয়ারপোর্টের (Islamabad Airport) সিএএ-র সাথে কথা বলে জরুরি অবতরণের অনুমতি চাওয়া হয়। মেলে অনুমতি। দু ঘন্টা পরে জ্বালানি ভরে (refuelling) ফের দুশানবেতের দিকে রওনা দেয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি।

দিন কয়েক আগেই কলকাতায় বেঙ্গালুরুগামী বিমান জরুরি অবতরণ(emergency landing in Kolkata) করে৷ গুয়াহাটি থেকে বেঙ্গালুরু যাচ্ছিল বিমানটি৷ সেই সময় কলকাতা বিমান বন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করে৷ তবে যাত্রীরা সকলেই সুরক্ষিত ছিলেন বলে খবর৷

জানা যায়, বিমানটি আকাশে ওড়ার পরেই ‘যান্ত্রিক ক্রটি’ টের পান চালক৷ দ্রুত খবর যায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার বা এটিসির কাছে। পাইলট গোটা ঘটনা এটিসিকে জানান। এরপরেই জরুরি অবতরণের অনুমতি মেলে এবং দুপুর ১.৫০ নাগাদ কলকাতায় ইন্ডিগোর বিমানটি অবতরণ করে৷ ওই বিমানে প্রায় শতাধিক যাত্রী ছিলেন৷ যাত্রীরা সকলেই সুরক্ষিত ছিলেন৷ পরে অন্য একটি বিমানে পাঠানো হয় যাত্রীদের৷

তবে কী কারণে বা কোন যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে বিমানটিকে জরুরি অবতরণ করানো হল তা জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞরা বিমানটি পরীক্ষা করে দেখেন।

এর আগেও বিমানের উড়ানের খানিক পরেই বিপত্তি ঘটেছিল। সেবার আচমকাই কেবিন থেকে ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে বাগডোগরাগামী বিমানে। বিপদ এড়াতে কলকাতা বিমানবন্দরে জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করেছিল স্পাইস জেটের বিমান (emergency landing in Kolkata)।

কলকাতা থেকে বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাচ্ছিল স্পাইস জেটের বিমান এসজি ২৭৫ (SpiceJet flight SG 275)। উড়ানের খানিকক্ষণ পরেই কেবিন থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। বিপদ বুঝে বিমানটিকে তড়িঘড়ি কলকাতা বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন পাইলট (SpiceJet flight makes emergency landing)।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.